নিউজ পোল ব্যুরো: মোথাবাড়ি কাণ্ড (Mothabari Case) ঘিরে কড়া বার্তা দিল দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই ঘটনার তদন্তে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না এ কথা স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। একইসঙ্গে বাংলার চলতি ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। বিচারকদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হলে আদালতের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে। এই মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) তাদের অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। ওই রিপোর্টে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Weather Update : ঘাম ঝরানো গরমেই পয়লা বৈশাখ! নাকি ঝড়বৃষ্টিতে কমবে তাপমাত্রা,কেমন থাকবে আবহাওয়া?
এনআইএ আদালতকে জানিয়েছে, মোথাবাড়ি ঘটনার মূল চক্রান্তকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’-কে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্নে অস্বস্তিতে পড়েছে রাজনৈতিক মহল। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই মামলা যেন শুধুমাত্র কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে এবং একে সাধারণ মামলা হিসেবে দেখা যাবে না। উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়িতে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেদিন বিডিও অফিসের ভিতরে কয়েকজন বিচারককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজ্য রাজনীতিতে এবং বিষয়টি আদালতের নজরে আসে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole
সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে তদন্তভার গ্রহণ করে এনআইএ। ইতিমধ্যেই কলকাতার বিশেষ সিবিআই আদালতে একাধিক এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই গ্রেফতার করা হয় আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি কাদেরিকে। এছাড়াও স্থানীয় আইএসএফ কর্মী গোলাম রাব্বানি এবং দুই কংগ্রেস কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। মোথাবাড়ির কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম ওরফে বাবু চৌধুরীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে একাধিকবার। তদন্তকারীদের প্রাথমিক দাবি, পুরো ঘটনাটি ছিল সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত। এই প্রেক্ষাপটে আদালতের কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
