Election Commission : ভোটকর্মীদের খাবারে কড়া নজর! মেনু থেকে দামের তালিকা বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ভোটের মরসুম এলেই বাড়তি দায়িত্ব পড়ে প্রশাসন ও নির্বাচন ব্যবস্থার উপর। এবার সেই প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে কমিশন (Election Commission)। ভোট কর্মীদের (Election Duty Staff) জন্য নির্দিষ্ট খাবারের তালিকা ও তার মূল্য বেঁধে দিয়েছে কমিশন (Election Commission), যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং কোথাও অতিরিক্ত দাম নেওয়া না হয়। জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভোট পরিচালনার সময় কর্মীদের খাবারের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া জেলায় জেলা গ্রামোন্নয়ন সংস্থার তরফে একটি নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি খাদ্যদ্রব্যের মূল্য নির্ধারিত। যেমন, ৬০ মিলিলিটার লাল চায়ের দাম রাখা হয়েছে ৬ টাকা, আর একই পরিমাণ দুধ চা ৭ টাকা। হালকা খাবারের মধ্যে মুড়ি-ঘুগনির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা।

আরও পড়ুন: WB Election 2026 : কমিশন বিজেপির পক্ষেই? ডায়মন্ডহারবার-মগরাহাটে ‘গোপন বৈঠক’ নিয়ে তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ

দুপুরের খাবারের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট প্যাকেজ ভাত, ডাল, সবজি, আলু ভাজা, চাটনি ও পাঁপড় মিলিয়ে ৬০ টাকা। এর সঙ্গে যদি রুই মাছ যোগ করা হয়, তাহলে খরচ বেড়ে দাঁড়াবে ৯০ টাকা। ডিম কারি সহ খাবারের দাম ৭০ টাকা এবং চিকেন থাকলে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাতের খাবারের তালিকাও কম নয়। একটি রুটির দাম ৫ টাকা, সবজি হাফ প্লেট ১৫ টাকা। চিকেনসহ রুটি পেলে খরচ পড়বে ২০ টাকা। পাশাপাশি ডিম তড়কা (Egg Tadka) ৩৫ টাকা এবং ভেজ তড়কা ২৫ টাকা রাখা হয়েছে। আলু পোস্ত, মিষ্টি, ইডলি কিংবা দই বড়ার মতো বিকল্পও রয়েছে নির্দিষ্ট মূল্যে। এই সমস্ত খাবার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে (Self Help Groups), যারা বুথে বুথে রান্না করে ভোট কর্মীদের পরিবেশন করবেন। তবে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত মূল্যের বেশি নেওয়া যাবে না (Election Commission)।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এছাড়াও ভোট কর্মীদের পারিশ্রমিকেও রয়েছে জেলা ভেদে। পুরুলিয়ায় যেখানে প্রিসাইডিং অফিসার ৩০২০ টাকা পান, সেখানে হুগলিতে সেই অঙ্ক বেড়ে হয়েছে ৩৫৩০ টাকা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও এই ব্যবস্থার আওতায় খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন। ভোটের সময় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিশনের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।