West Bengal fuel policy:অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রেই কন্টেনারে জ্বালানি সরবরাহ, কৃষক-চা শ্রমিকদের জন্য ছাড়; রাজ্য সরকারের বড় সিদ্ধান্ত!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত বিধিনিষেধে (West Bengal fuel policy) আংশিক শিথিলতা আনল রাজ্য সরকার। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ও কৃষিকাজে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এবার থেকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কন্টেনারে পেট্রল ও ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিশেষত কৃষক, চা-বাগানের শ্রমিক, হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:West Bengal UCC Bill:সোমেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! শুভেন্দু শিবিরকে ঘিরতে কোন কৌশলে ঋতব্রত ও কালীঘাট তৃণমূল?

এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লেখেন, সম্প্রতি কন্টেনারে ডিজেল সরবরাহের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় কৃষক, হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা চরম সমস্যার মুখে পড়েছিল। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করেছে এবং অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রগুলিতে কন্টেনারে জ্বালানি সরবরাহের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন জ্বালানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলও। কলকাতার এক পেট্রল পাম্পের মালিক বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, তা কার্যকর করাই তাঁদের দায়িত্ব।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তার প্রভাব পড়ে বিশ্বের একাধিক দেশে। ভারতে জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় সরকারও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। একই সঙ্গে অযথা জ্বালানি ব্যবহার এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের (West Bengal fuel policy) আশঙ্কায় বহু মানুষ আগাম পেট্রল ও ডিজেল মজুত করার প্রবণতা দেখান। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ প্লাস্টিকের বোতল বা অননুমোদিত পাত্রে জ্বালানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ আইনত নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র নির্ধারিত মানের স্টিল বা উচ্চ-ঘনত্বের শক্ত প্লাস্টিকের অনুমোদিত পাত্রেই জ্বালানি সরবরাহ করা যায়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@thenewspole

সম্প্রতি কন্টেনারে জ্বালানি সরবরাহের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় কৃষিকাজ, চা-বাগানের যান্ত্রিক কার্যক্রম, হাসপাতালের ব্যাক-আপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবার কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। সেই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রগুলির জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।