Rohit Sharma: যুবরাজের ‘সতর্কবার্তা’ উপেক্ষা করেই প্রেম, শেষমেশ কী ভাবে হল চার হাত এক?

ক্রিকেট ক্রীড়া বিনোদন

নিউজ পোল ব্যুরো: ক্রিকেট দুনিয়ায় ভিরাট-অনুষ্কার মতো  আরও এক পাওয়ার কাপল আছেন। তারা আর কেউ নন, হিটম্যান অর্থাৎ রোহিত শর্মা এবং তাঁর স্ত্রী ঋতিকা সচদে। ক্রিকেটের ময়দানে রোহিত ও ঋত্বিকার রসায়ন অনবদ্য ভাবে ধরা পড়েছে বারবার। ম্যাচের কঠিন পরিস্থিতিতে ঋতিকার ফিঙ্গার ক্রসিং অথবা রোহিতের সেঞ্চুরিতে ঋতিকার আনন্দাশ্রু বারবার তাদের ভালোবাসাকে দর্শকের সামনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু তাদের প্রেম থেকে বিয়ের জার্নিটা কিন্তু মোটেই সহজ ছিলনা। ঋতিকাকে নিজের করে পেতে গিয়ে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে আমাদের সকলের প্রিয় হিটম্যানকে।

আরও পড়ুন:Yash: ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক, ‘টক্সিক’-এর দৃশ্য নিয়ে সমালোচকদের জবাব যশের

বেশিরভাগ প্রেম কাহিনিতেই বাধা হয়ে দাঁড়ান মেয়ের পরিবারের কেউ একজন। রোহিত ও ঋতিকার প্রেমের গল্পেও উপস্থিত ছিল এমনই এক চরিত্র। তিনি ছিলেন ঋতিকার দাদা, যদিও রক্তের সম্পর্কের নন। তবে ছোট বোনের মতোই ভালোবাসতেন তাঁকে। সেই দাদা আর কেউ নন, স্বয়ং যুবরাজ সিং।

রোহিত যখন সবে ভারতীয় ক্রিকেট দলে যোগ দেন তখন তাঁর ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন ঋতিকা। যদিও ম্যানেজার হিসেবে কাজ করলেও তাদের ফোন ছাড়া মুখোমুখি কথা হয়নি। এরপর কোনো একটি অ্যাড শুটিংয়ের ব্যবস্থা করেন ঋতিকা। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন যুবরাজও। সেখানেই প্রথম যুবরাজ দুজনের সামনাসামনি আলাপ করিয়ে দেন এবং রোহিতকে সাবধান করে দেন যেন তিনি কোনোভাবেই তাঁর বোনের সাথে প্রেম করার কথা না ভাবেন।

কিন্তু ভালোবাসা কি এসব সাবধানবাণী মানে! একে অপরের সাথে কাজ করতে করতে কখন যে দুজন দুজনকে মন দিয়ে ফেলেছিলেন তা নিজেরাও জানতেন না তাঁরা। বন্ধুত্ব দিয়ে শুরু, তারপর বোড়িভলির স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ঋতিকাকে প্রেম নিবেদন করেন রোহিত। মাঠের বাইরে একে অপরের ভরসার জায়গা হয়ে ওঠেন তাঁরা। ছয় বছর প্রেম করার পর শেষমেষ ২০১৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর দুজনের চার হাত এক হয়। তবে প্রথমে গররাজি থাকলেও  বোনকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পেরে খুশিই হয়েছিলেন যুবরাজ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole