নিউজপোল ব্যুরো: পুজোর ভিড় এখনও শুরু হয়নি, তার আগেই রেলের তরফে বড়সড় প্রস্তুতি! দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো—উৎসবের পুরো মরশুমে বাড়তি যাত্রী সামলাতে একগুচ্ছ স্পেশ্যাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। ১৫ অক্টোবর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত হাওড়া, শিয়ালদহ এবং আসানসোল থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলবে এই অতিরিক্ত ট্রেন। ফলে উৎসবের সময়ে বাড়ি ফেরার যাত্রীদের জন্য বড় স্বস্তি আসতে চলেছে।
রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাওড়া-রক্সৌল, শিয়ালদহ-পটনা এবং শিয়ালদহ-সীতামারি রুটে সাত জোড়া করে স্পেশ্যাল ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদহ থেকে গোরক্ষপুর রুটেও থাকবে বাড়তি পরিষেবা। এই রুটে আপ-ডাউন মিলিয়ে ১৪টি স্পেশ্যাল ট্রেন চালানোর কথা জানিয়েছে পূর্ব রেল। শুধু বিহার বা উত্তরপ্রদেশ নয়, উৎসবের মরশুমে বাংলার পর্যটনকেন্দ্র দিঘার দিকেও বাড়ছে রেলের নজর। কলকাতা-মধুবনী, আসানসোল-পটনা এবং গোরক্ষপুর রুটে সাত জোড়া করে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি মালদা টাউন থেকে দিঘার উদ্দেশেও চালানো হবে সাত জোড়া স্পেশ্যাল ট্রেন। অর্থাৎ পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাওয়া কিংবা বাড়ি ফেরার—দুই ক্ষেত্রেই যাত্রীদের অতিরিক্ত ট্রেন পরিষেবা কাজে আসতে পারে।
বর্ধমান, বীরভূম-সহ বিভিন্ন জায়গার যাত্রীরাও যাতে এই ট্রেনগুলিতে উঠতে পারেন, সেই বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। তবে এখনও টিকিট বুকিং শুরু হয়নি। খুব শীঘ্রই বুকিং প্রক্রিয়া চালু হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।এরই মধ্যে কলকাতার চক্র রেল নিয়েও বড়সড় পরিবর্তন আসছে। গণেশ ও বিশ্বকর্মা প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন একাধিক ট্রেনের যাত্রাপথ বদলানো হবে। কোথাও ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত হবে, আবার কোথাও ঘুরপথে চালানো হবে পরিষেবা। বিসর্জনের ঘাটগুলিতে অতিরিক্ত ভিড় ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। বাগবাজার, শোভাবাজার, আহিরীটোলা, নিমতলা ও বাবুঘাটের আশপাশে ভিড় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ওই এলাকায় ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনা হচ্ছে। এই পাঁচ দিনে মোট ১১টি ট্রেনের পরিষেবায় পরিবর্তন থাকবে। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চক্র রেল ফের স্বাভাবিক নিয়মে চলার কথা।
