নিউজপোল ব্যুরো: ১৬ ফুটের বিশাল গণেশ, চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ আর ‘সপ্তর্ষি’ থিম—গণেশ চতুর্থীতে মালদার কৃষ্ণপল্লিতে যেন উৎসবের অন্য ছবি! বিনায়ক সংঘ ক্লাবের এবারের আয়োজন ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। উদ্যোক্তাদের দাবি, জেলার অন্যতম উঁচু গণেশ মূর্তি এবার তাঁদের পুজোতেই তৈরি করা হয়েছে। কৃষ্ণপল্লি এলাকার পুজো মণ্ডপে ঢুকতেই নজর কাড়ছে বিশাল আকারের গজানন। প্রায় ১৬ ফুট উচ্চতার এই মূর্তি দেখতে সকাল থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নন, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা আসছেন গণেশ দর্শনে। মূর্তির বিশালত্বের পাশাপাশি মণ্ডপসজ্জাতেও রাখা হয়েছে বিশেষ চমক।
এবার বিনায়ক সংঘ ক্লাবের থিম ‘সপ্তর্ষি’। সেই ভাবনাকে কেন্দ্র করেই সাজানো হয়েছে গোটা পুজো প্রাঙ্গণ। পৌরাণিক আবহ তৈরি করে গণেশ আরাধনার আয়োজন করেছেন উদ্যোক্তারা। মূর্তি, মণ্ডপের সাজসজ্জা এবং পরিবেশ—সব জায়গাতেই থিমের সঙ্গে মিল রেখে তুলে ধরা হয়েছে বিশেষ ভাবনা। গণেশ চতুর্থীর দিন সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজোর আনুষ্ঠানিকতা। ভক্তরা মণ্ডপে এসে পুজো দিচ্ছেন, গণেশের আশীর্বাদ নিচ্ছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে কৃষ্ণপল্লি এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।
আগামী এক সপ্তাহ ধরে এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নানা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে ক্লাবের। থাকছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং একাধিক কর্মসূচি। অর্থাৎ ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি স্থানীয়দের নিয়ে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলার পরিবেশ তৈরি করাই লক্ষ্য উদ্যোক্তাদের। এরই সঙ্গে রয়েছে নরনারায়ণ সেবার আয়োজন। পুজো দেখতে আসা দর্শনার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এই পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুজোর আনন্দের পাশাপাশি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দিতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।
স্থানীয় কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথ জানিয়েছেন, এবারের পুজোয় প্রায় ১৬ ফুটের গণেশ মূর্তি রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি এবং নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয়েছে।
