‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর ডেমোগর্গন কি বাস্তবেও রয়েছে? আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে ক্যামেরায় ধরা পড়ল ছয় ফুটের রহস্যময় প্রাণী, অজানা জীব, নাকি বিরল বন্যপ্রাণী?

breakingnews দেশ

নিউজপোল ব্যুরো: চার পায়ে চলাফেরা, অস্বাভাবিক মুখ, লম্বা লেজ আর দেওয়াল বেয়ে ওঠার ক্ষমতা! আমেরিকা ও মেক্সিকো সীমান্তের কাছে ক্যামেরায় ধরা পড়া এক অদ্ভুত প্রাণীকে ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রাণীটির চেহারা দেখে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর কাল্পনিক দানব ডেমোগর্গনের কথা মনে করছেন অনেকে। তবে সেটি আসলে কী, কোথা থেকে এসেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

প্রাপ্ত বর্ণনা অনুযায়ী, প্রাণীটির গড়ন অনেকটা চিতার মতো। চারটি পা, সরু ও লম্বাটে মুখ, ভিতরের দিকে বসানো চোখ এবং দীর্ঘ লেজ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট হতে পারে বলেও জানিয়েছেন মেক্সিকোর সাংবাদিক ও ইউএফও অনুসন্ধানকারী জেমি মউসান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রিও গ্রান্ডে নদীর আশপাশে, জুয়ারেজ় এলাকার কাছে প্রাণীটির আনাগোনা দেখা গিয়েছে। মুরগি ও খরগোশের মতো ছোট প্রাণী শিকার করে এটি বেঁচে থাকে বলেও দাবি করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে প্রাণীটিকে ইটের দেওয়াল বেয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে বলে খবর। তার চলাফেরার ধরন এবং অস্বাভাবিক চেহারা নিয়েই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ ডেমোগর্গনকে অন্য মাত্রার জগতের ভয়ংকর শিকারি হিসেবে দেখানো হয়েছিল। বাস্তবে দেখা প্রাণীটির সঙ্গে সেই কাল্পনিক চরিত্রের তুলনা টানা হলেও, দু’টির মধ্যে কোনও বাস্তব যোগসূত্র রয়েছে—এমন প্রমাণ নেই।

জেমি মউসানের দাবি, প্রাণীটি বুদ্ধিমান ও ক্ষিপ্র হতে পারে। তবে সেটি ভিনগ্রহ থেকে এসেছে, এমন দাবি তিনি সরাসরি করছেন না। বরং অন্য কোনও অজানা জগতের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে তাঁর অনুমান। যদিও এই ধারণার পক্ষে এখনও নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত কোনও তথ্য জানানো হয়নি। ক্যামেরায় ধরা পড়া প্রাণীটি সত্যিই বিরল কোনও বন্যপ্রাণী, নাকি ফুটেজের ভুল ব্যাখ্যা—তার উত্তর এখনও অধরা।