Narendra Modi Emergency remark:‘জরুরি অবস্থা সংবিধানের আত্মঘাতী আক্রমণ’—মন কি বাত-এ ইতিহাসের পুনরুচ্চারণ প্রধানমন্ত্রীর!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:জরুরি অবস্থা’কে দেশের ইতিহাসের এক ‘কালো অধ্যায়’ বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Emergency remark)। রবিবার তাঁর মাসিক বেতার অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১২৩তম পর্বে তিনি বলেন, “যারা এমার্জেন্সি আরোপ করেছিল তারা শুধু সংবিধানের আত্মাকেই হত্যা করেনি, বরং ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে একটি পুতুলে পরিণত করার চেষ্টাও করেছিল।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/06/29/cooperative-manthan-meeting-amit-shah-delhi-2025/

প্রসঙ্গত, ২৫ জুন, ১৯৭৫ সালে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। এই বছর সেই ঘটনার ৫০ বছর পূর্তি। সেই ঐতিহাসিক পটভূমির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুতে সরব হলেন এবং কঠোর ভাষায় তার সমালোচনা করলেন।

মোদি (Narendra Modi Emergency remark) বলেন, “যাঁরা সেই সময় সাহসের সঙ্গে জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তাঁদের আমরা যেন কোনওদিন ভুলে না যাই। তাঁদের সংগ্রাম আমাদের অনুপ্রাণিত করবে সংবিধান রক্ষার লড়াইয়ে অবিচল থাকতে।”

এছাড়াও এদিনের বক্তব্যে উঠে আসে স্বাস্থ্য এবং সংস্কৃতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত এখন একটি বিশেষ চক্ষুরোগ ‘ট্রাকোমা’ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। মোদির কথায়, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ঘোষণা করেছে ভারত ট্রাকোমা থেকে মুক্ত হয়েছে। এটি চোখের একটি অসুখ, যা বহু বছর ধরে দেশে সমস্যা তৈরি করছিল। এটি নির্মূল হওয়া দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক বড় অর্জন।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস নিয়েও তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই বছর ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে দেশের কোটি কোটি মানুষ অংশ নিয়েছেন। দশ বছর আগে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা আজ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যোগ আজ কেবল শারীরিক অনুশীলন নয়, মানসিক শক্তির উৎস হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছে।”

প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’-এর এই পর্বে যেমন উঠে এসেছে ইতিহাসের গভীর প্রেক্ষাপট, তেমনি স্থান পেয়েছে আধুনিক ভারতের স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতির অগ্রগতি। মোদির কথায়, “দেশ হিসেবে আমাদের উচিত, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং আগামীর জন্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পথ চলা।”