নিউজ পোল ব্যুরো: “ট্রাম্পের ইচ্ছায় নয়, মোদীর (India Pak Ceasefire) দৃঢ়তায় থেমেছিল যুদ্ধ!” আমেরিকার (America) মাটিতে দাঁড়িয়ে এই বার্তা স্পষ্ট করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। কোয়াড সম্মেলনে অংশ নিতে ওয়াশিংটনে (Washington) গিয়ে এক আলোচনাসভায় তিনি জানান, ভারত-পাক (India Pak Ceasefire) সীমান্তে উত্তেজনার সময় আমেরিকা মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও সিদ্ধান্ত ছিল একমাত্র ভারতের হাতেই।
জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (JD Vance) টেলিফোনে কথা বলছিলেন, আমি নিজে সেই ঘরে ছিলাম। ভ্যান্স সতর্ক করেছিলেন যে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) পর পাকিস্তান (India Pak Ceasefire) বড়সড় প্রতিশোধ নিতে পারে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী একেবারে স্পষ্ট জানিয়ে দেন- ভারত ভয় পাবে না, বরং প্রত্যুত্তর দেবে।”
এই ঘটনার পরদিনই পরিস্থিতি বদলায়। ওয়াশিংটন (Washington) থেকে যোগাযোগ করা হয় নয়াদিল্লির (New Delhi ) সঙ্গে। জয়শঙ্করের কথায়, “আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও আমায় জানান, পাকিস্তান আলোচনায় বসতে চায়। সেই দুপুরেই পাকিস্তানের ডিজিএমও মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ ফোন করেন ভারতের ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাইকে। তারা সরাসরি সংঘর্ষবিরতির অনুরোধ জানায়।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
জয়শঙ্কর কোথাও ট্রাম্পের (Donald Trump) নাম উল্লেখ না করলেও স্পষ্ট করেন, কোনও তৃতীয় পক্ষ নয়! কূটনৈতিক দৃঢ়তা ও কৌশলগত সাফল্যের কারণেই পাকিস্তান মাথা নত করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে ট্রাম্প নিজের রাজনৈতিক প্রচারে বারবার দাবি করেছেন, তিনিই নাকি ভারত-পাকিস্তানের এই সংঘর্ষ থামিয়েছেন এবং বাণিজ্য চুক্তির শর্তেই তা সম্ভব হয়েছে। ভারত সেই দাবি বহুবার নাকচ করেছে। এবার জয়শঙ্কর সেই বিতর্কে টানলেন প্রমাণসহ স্পষ্টতা। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ভারত তার সার্বভৌম সিদ্ধান্তে কখনও তৃতীয় পক্ষের অনুমতির মুখাপেক্ষী নয়।
