Mann Ki Baat July 2025:স্পেস ডে ঘিরে আত্মনির্ভর ভারতের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, ‘মন কি বাত’-এ বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক গর্ব তুলে ধরলেন মোদী!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:২৩ অগস্ট পালিত হতে চলা ‘ন্যাশনাল স্পেস ডে’-কে সামনে রেখে দেশের মহাকাশবিজ্ঞান ও আত্মনির্ভরতার অগ্রগতি নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার ‘মন কি বাত’-এর (Mann Ki Baat July 2025) ১২৪তম পর্বে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন ভারতের বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পরিবেশ ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক একগুচ্ছ সাফল্যের খতিয়ান। বলেন, “এই সাফল্য প্রতিটি ভারতীয়র গর্বের কারণ।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/07/27/ganga-erosion-shamsherganj-nutan-shibpur-crisis/

সম্প্রতি মহাকাশ থেকে সফলভাবে ফিরে আসা ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তাঁর অবতরণ দেশের মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়। সেই আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশে।” তিনি জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মহাকাশ নিয়ে উৎসাহ বেড়েই চলেছে। হাজার হাজার স্পেস স্টার্টআপ উঠছে ভারতজুড়ে, যারা প্রযুক্তির পাশাপাশি আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন সফল করতে কাজ করছে।

বিজ্ঞান ছাড়াও দেশের হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় মহিলাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “সাঁওতালি শাড়ির মতো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনছেন আমাদের মহিলারা। এটি কেবল পোশাক নয়, আমাদের সংস্কৃতির অংশ।” গ্রামীণ সমাজকেও এই পরিবর্তনের শরিক হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

প্রযুক্তি এবং পরিবেশ রক্ষার যুগল উদাহরণ হিসেবে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে এআই প্রযুক্তির প্রয়োগ তুলে ধরেন মোদী। জানান, “সেখানে ৪০টিরও বেশি ঘাসজীবী পাখিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে তাদের ডাক রেকর্ড করে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে। প্রযুক্তি এবং সংবেদনশীলতা একসঙ্গে কাজ করলে এমন অসাধারণ সাফল্য আসে।”

দেশের খেলাধুলার প্রসঙ্গেও উঠে আসে আশাব্যঞ্জক চিত্র। প্রধানমন্ত্রী জানান, “আমরা শুধু অলিম্পিক নয়, অলিম্পিয়াডেও উন্নতি করছি। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্রীড়া সামগ্রী ব্যবহার করছে আমাদের খেলোয়াড়েরা। স্টার্টআপরা খেলাধুলার জগতে নতুন বিপ্লব আনছে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

মহারাষ্ট্রের ১২টি দুর্গ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টিও এদিনের মন কি বাত-এ (Mann Ki Baat July 2025) বিশেষভাবে উল্লেখ করেন মোদী। বলেন, “এই দুর্গগুলি আমাদের ইতিহাসের অংশ, আমাদের আত্মমর্যাদার প্রতীক। আমি নিজে রায়গড় গিয়েছিলাম, যা এক অমূল্য অভিজ্ঞতা। দেশবাসীকে বলব, এমন ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখুন।”

ভাষা ও প্রাচীন লিপি সংরক্ষণের গুরুত্ব বোঝাতে মণি মারান নামের এক ব্যক্তির ‘পান্ডুলিপি’ শেখানো ও গবেষণার প্রসঙ্গ তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই ধরণের উদ্যোগ দেশজ জ্ঞানের পুনরুজ্জীবনে বড় ভূমিকা নিতে পারে।”

শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘নামো অ্যাপ’-এর মাধ্যমে দেশবাসীর কাছ থেকে মতামত জানানোর আবেদন জানান। বলেন, “দেশ গড়ার কাজে আপনাদের মতই আমাদের পথ দেখায়।”