নিউজ পোল ব্যুরো:রবিবার বেঙ্গালুরুর মেট্রো ইয়োলো লাইন এবং তিনটি নতুন ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধনী (Indigenous defense technology India) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশীয় প্রযুক্তির সক্ষমতাকে ভারতের রণশক্তির মূল মেরুদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে প্রযুক্তির তেজ দেখিয়ে ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আঘাত হেনেছে এবং বিশ্বকে কাঁপিয়েছে।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/08/10/bjp-challenges-rahul-gandhi-fake-voter-claims/
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে আধুনিক সেনা সরঞ্জাম, ড্রোন, স্যাটেলাইট নজরদারি এবং ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানকে পিছিয়ে যেতে বাধ্য করার ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। এর পেছনে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এই অভিযানের পেছনের প্রেক্ষাপটে এপ্রিলে জম্মু–কাশ্মীরের পহেলগামের বৈসরনে এক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ২৬ জন পর্যটককে হত্যা করে, যার জবাবে ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযানের নাম রাখা হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল জানান, মূল আক্রমণ মাত্র ২৩ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর কামাতের মতে, অপারেশন সিঁদুর প্রমাণ করেছে আকাশ, এমআরএসএএম, ব্রহ্মস, এডব্লিউএসিএসসহ দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশ্বমানের। এয়ার চিফ মার্শাল এ.পি. সিং বলেছেন, সরকার ও সেনাবাহিনীর স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো কৌশলগত সুবিধা পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ক্ষমতাকে ভেঙে দিয়েছে।
বেঙ্গালুরুর মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী কন্নড় ভাষায় (Indigenous defense technology India) বক্তব্য শুরু করে বলেন, “বেঙ্গালুরু নতুন ভারতের প্রতীক, যেখান থেকে দেশ বিশ্বের আইটি মানচিত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।” তিনি আরও জানান, ২০১৪ সালে দেশের মাত্র ৫টি শহরে মেট্রো চললেও এখন ২৪টি শহরে ১,০০০ কিলোমিটার বেশি নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। রেল বিদ্যুতায়ন দ্বিগুণ, বিমানবন্দর ৭৪ থেকে বেড়ে ১৬০ ছাড়িয়েছে, এবং বিশ্বের অর্ধেক রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন ভারতীয় ইউপিআই প্ল্যাটফর্মে হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে, “অপারেশন সিঁদুর সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে—সন্ত্রাসবাদীদের জন্য আর কোনও নিরাপদ ঘাঁটি নেই।” তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি এখন সরকার ও নাগরিকের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করছে এবং সেই সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করাই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কর্ণাটকের রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সহ সেনা ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
