Delhi government: বেসরকারি স্কুলে ফি নিয়ন্ত্রণে নতুন আইনি নিয়ম

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: দিল্লি সরকারের (Delhi government) একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যেখানে এবার থেকে রাজধানীর প্রতিটি বেসরকারি স্কুল ফি নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় আসছে। মোট ১,৭০০টি স্কুল এই আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী অশীষ সূদ। শুক্রবার জনকপুরীতে আয়োজিত এক ‘পেরেন্টস টাউন হল’-এ তিনি ঘোষণা করেন, সদ্য সমাপ্ত মনসুন অধিবেশনে গৃহীত ‘দিল্লি স্কুল এডুকেশন (Delhi school Education) বিল, ২০২৫’ এর মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: Kidney Care Services: শুরু হল চিকিৎসা পরিষেবার এক নতুন অধ্যায়

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এতদিন ধরে অভিভাবকদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল— স্কুলগুলি একতরফাভাবে ও হঠাৎ করে ফি বৃদ্ধি করত। এই আইনের ফলে সেই প্রথা বন্ধ হবে। নতুন আইনে অভিভাবকেরা সরাসরি মতামত জানাতে পারবেন এবং ফি বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক মনে হলে তা আটকে দেওয়ার অধিকারও তাঁদের থাকবে।প্রায় ২০০ অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন টাউন হলে। সেখানে সূদ ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনও স্কুল সরকারের (Delhi government) অনুমতি ছাড়া ফি বাড়ায়, তবে তাদের ১ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আর যদি অতিরিক্ত নেওয়া অর্থ ফেরত না দেওয়া হয়, তবে জরিমানার অঙ্ক দ্বিগুণ হবে। একইসঙ্গে, শিক্ষা পরিচালকের হাতে উপ-বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের মতো ক্ষমতা থাকবে, যাতে আইন ভঙ্গের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রতিটি স্কুলে ফি নির্ধারণের জন্য কমিটি গঠন হবে, যেখানে শিক্ষক, অভিভাবক, স্কুল ম্যানেজমেন্ট ও সরকারি প্রতিনিধি থাকবেন। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে স্কুল স্তরে প্রস্তাব জমা দিতে হবে, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা স্তরের কমিটিতে আলোচনা শেষ হবে এবং সেপ্টেম্বর মাসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। যদি ৪৫ দিনের মধ্যে কোনও রায় না আসে, তবে বিষয়টি আপিল কমিটির হাতে যাবে।মন্ত্রী আরও জানান, এতদিন ১৯৭৩ সালের নিয়ম অনুযায়ী মাত্র ৩০০টি স্কুল ফি নিয়ন্ত্রণের আওতায় ছিল।

নতুন আইনের ফলে এই সীমাবদ্ধতা ভেঙে দিল্লির সব বেসরকারি (Delhi government) স্কুলকে একই নিয়মে আনা হলো। তার অভিযোগ, অতীতে ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলি (government) কখনও প্রকৃতপক্ষে স্বচ্ছ ফি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলেনি। সরকারি স্কুলের মানোন্নয়নের বদলে শুধু কথার বিপ্লব ঘটানো হয়েছে, যার ফলে অভিভাবকেরা বাধ্য হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভরসা করেছেন।সূদ জানান, দীর্ঘ পর্যালোচনা ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই আইন তৈরি হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য শিক্ষাক্ষেত্রে বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole