Rahul Gandhi: নীতি বদল নাকি পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া? রাহুলকে তুলোধোনা করে ‘নৈতিকতা’র ক্লাস নিলেন অমিত শাহ

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজনীতিতে নীতির জায়গা কি ভোটে হারের পালাবদলে নির্ধারিত হয়? এই প্রশ্ন তুলে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) সোজাসুজি কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পরপর তিনটি নির্বাচনে হারার পর কংগ্রেস (Congress) নেতার নৈতিক অবস্থান নাটকীয়ভাবে পাল্টে গেছে। ২০১৩ সালে মনমোহন সিং-এর মন্ত্রিসভার একটি কপির পাতা ছিঁড়ে ফেলে রাহুল (Rahul Gandhi) যে ‘নীতিবোধ’-এর বার্তা দিয়েছিলেন, আজ তার বিপরীত অবস্থান কেন?

আরও পড়ুন: Indian Oil Policy: সস্তা যেখানে, সেখানেই আমাদের রাস্তা! তেলনীতি ঘিরে ভারতের কড়া বার্তা

শাহ বলেন, “লালু প্রসাদ (Lalu Prasad) যাদবকে বাঁচাতে আনা অধ্যাদেশটি রাহুলজি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তখন যদি সেটা নীতির প্রশ্ন হয়, তাহলে এখন সেই নীতি কোথায় গেল?” তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দেন, ভোটে টানা হারের পর রাহুলের (Rahul Gandhi) অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে। “নৈতিকতার মান নির্বাচন জয়ের ওপর নির্ভর করলে সেটা তো আদর্শ নয়, বরং সুবিধাবাদ। নীতি সূর্য-চন্দ্রের মতো স্থায়ী হওয়া উচিত,”, এভাবেই কটাক্ষ করেন শাহ।

এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু একটি নতুন সাংবিধানিক সংশোধনী বিল। সংবিধান (১৩০তম সংশোধনী) বিল, ২০২৫। এতে প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যদি কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী গুরুতর অপরাধে দোষী হয়ে টানা ৩০ দিন জেলে থাকেন, তবে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদত্যাগ করতে হবে। শাহ জানান, এই বিলের আওতায় প্রধানমন্ত্রী নিজেকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যা একধরনের “নৈতিক স্বচ্ছতা”-র দৃষ্টান্ত। তিনি তুলনা করেন ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) সময়ের ৩৯তম সংশোধনীর সঙ্গে, যা শীর্ষ নেতাদের বিচারিক পর্যালোচনা থেকে রক্ষা করেছিল। সরকার দাবি করছে, এই পদক্ষেপ নৈতিক শুদ্ধতার পথে এক সাহসী পদক্ষেপ। তবে বিরোধীদের মতে, এটি আসলে বিরোধী-শাসিত রাজ্য সরকারগুলিকে নিশানা করার কৌশল। যদিও শাহ জানিয়ে দিয়েছেন,”আইনের আগে সবাই সমান। জামিন পেলে আবার পদে ফিরতে পারবেন।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole