Akhilesh Yadav: নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে অখিলেশ যাদবের তোপ! ‘ভোটচুরি’ বন্ধ না হলে ভারতের রাস্তায় নামতে পারে জনতা, সতর্কবার্তা সমাজবাদী পার্টি নেতার

দেশ রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে ফের তীব্র প্রশ্ন তুললেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) অযোধ্যা বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির (BJP) জয়ের পর তিনি অভিযোগ করেন, বহিরাগতদের দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ভোট করানো হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি (Akhilesh Yadav ) হুঁশিয়ারি দেন, যদি ভোটচুরি ও নির্বাচনী অনিয়ম বন্ধ না হয়, তাহলে ভারতেও প্রতিবেশী নেপাল (Nepal) বা বাংলাদেশের (Bangladesh) মতো গণআন্দোলনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রের ‘চাল’! পুজোর পর নজরদারির বার্তা অভিষেকের, জোর ভোটার তালিকাতেও

শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে অখিলেশ (Akhilesh Yadav) বলেন, “নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা। কিন্তু কমিশন এখন চোখ বন্ধ করে বিজেপির হয়ে কাজ করছে। কুন্দারকি, রামপুর, মীরাপুরের মতো একাধিক উপনির্বাচনে ভোটচুরির চেষ্টা ব্যর্থ হলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়েছে।” অযোধ্যা উপনির্বাচন ঘিরে বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, “এই কেন্দ্রে প্রায় ৫০০০ বহিরাগতকে এনে ভোট করানো হয়েছে। এমনকি এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহচরকেও এই ঘটনায় হাতেনাতে ধরা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে গণতন্ত্র ধ্বংসের মুখে।”

তিনি আরও বলেন, “ভারতের মানুষ সচেতন। তারা দীর্ঘদিন ধরে সব দেখছেন। যদি বারবার এভাবে তাঁদের ভোটাধিকার লুণ্ঠিত হয়, তাহলে একদিন রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন। তখন পরিস্থিতি নেপালের মতো হতে কতক্ষণ?” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে জেনারেশন জেড রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়। সেই আন্দোলন হিংসাত্মক রূপ নিলে চাপের মুখে গোটা সরকার পদত্যাগ করে। এমন ঘটনার উল্লেখ করেই অখিলেশ ইঙ্গিত দেন, “ভোট চুরি ও প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব যদি বন্ধ না হয়, তাহলে ভারতেও সেই রাস্তাতেই হাঁটবে জনগণ।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi) ভোটচুরি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে অভিযোগ করে চলেছেন। যদিও নির্বাচন কমিশন এ ধরনের অভিযোগকে ‘ভ্রান্তিমূলক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তবুও বিরোধীদের এই বার্তা স্পষ্ট, গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে নিরপেক্ষ নির্বাচনই একমাত্র উপায়।