নিউজ পোল ব্যুরো: দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে, আর তারই প্রেক্ষিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার সাইডলাইনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের (Trump Sharif Meeting) সম্ভাব্য বৈঠক নতুন জল্পনার জন্ম দিচ্ছে। সঙ্গে থাকতে পারেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য ও কৌশলগত সমীকরণে ভারসাম্য আনতেই পাকিস্তানকে সামনে এনে ভারতের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর দক্ষিণ এশিয়ায় সাময়িক উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের দাবি করা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা, যদিও নয়াদিল্লি তা বরাবরই নাকচ করেছে, ফের আলোচনায় এসেছে আসিম মুনিরের (Asim Munir) সাম্প্রতিক মার্কিন সফরের পর।
বৈঠকে (Trump Sharif Meeting) পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি, কাতারে ইজরায়েলি হামলা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ইসলামাবাদ-নয়াদিল্লির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কূটনৈতিক দপ্তরগুলির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
পাকিস্তানের সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (Trump Sharif Meeting) এবং সাম্প্রতিক সময়ে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন হয়তো নতুন করে ইসলামাবাদকে (Islamabad) আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে গুরুত্ব দিতে চাইছে। বিশেষত এমন সময়ে, যখন ভারত-চীন-রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং মার্কিন-ভারত শুল্ক উত্তেজনা এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।
এই অবস্থায় আমেরিকার (America) তরফে বারবার পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কূটনৈতিক ভারসাম্য তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, একদিকে ভারতকে চাপ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সুবিধা আদায়, অন্যদিকে চীনকে ঠেকাতে পাকিস্তানকে পাশে রাখা—এই দুই উদ্দেশ্যেই এগোচ্ছে হোয়াইট হাউসের নীতি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
