Healthy Lifestyle : রাতে বারবার খিদে পাচ্ছে? কয়েকটি সহজ উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন মধ্যরাতের খাওয়ার অভ্যাস

Life style অন্যান্য লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: রাতে অনেকেই কাজের চাপে (late night awake habit) বেশি ক্ষণ জেগে থাকেন। কিন্তু এই অভ্যাসের একটি বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল— হঠাৎ করে খিদে পাওয়া (midnight hunger)। অনেক সময়েই দেখা যায়, রাত গভীর হলে মানুষ রেফ্রিজারেটরের দিকে হাঁটা দেন, কিছু না কিছু খাওয়ার তাগিদে। এই অভ্যাস আপাতদৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিকারক না মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি শরীরের ক্ষতি করতে পারে। কারণ, রাতের বেলা অপ্রয়োজনে খাবার খেলে (metabolism disorder) ওজন বাড়ে, হজমের সমস্যা (digestion issue) হয়, এমনকি ঘুমের মান (sleep quality) নষ্ট হয়।

আরও পড়ুন: Ayodhya Hills : উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ের পরে পুরুলিয়া পর্যটনে আকর্ষণ, অযোধ্যা পাহাড়ে বেড়েছে আগ্রহ

রাতে অতিরিক্ত খিদে লাগার অন্যতম কারণ হল দেহে জলের অভাব (dehydration problem)। অনেক সময় আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্ক খিদে (hunger) ও তৃষ্ণা (thirst) – এই দুই অনুভূতিকে গুলিয়ে ফেলে। ফলে, প্রকৃতপক্ষে শরীরে জল চাইলেও আমরা খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ি। তাই সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল (water intake) পান করা অত্যন্ত জরুরি। এতে অহেতুক খাওয়ার ইচ্ছা অনেকটাই কমে যায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, দিনের খাবারের সময় ও ভারসাম্য (balanced diet)। অনেকেই সকাল বা দুপুরের খাবার এড়িয়ে যান, যা একেবারেই ঠিক নয়। সুষম আহার (healthy eating habit) সারাদিন দেহে শক্তি বজায় রাখে এবং রাতে অকারণ খিদে লাগার প্রবণতা কমায়। তাই প্রাতরাশ অবশ্যই সকাল ৯টার মধ্যে এবং দুপুরের খাবার ২টার মধ্যে খেয়ে নেওয়া উচিত। রাতের খাবার (dinner time) সর্বোচ্চ ৮টার মধ্যে সেরে ফেলা হলে হজম প্রক্রিয়া ভালভাবে সম্পন্ন হয়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

রাতের খাবার খাওয়ার পর দীর্ঘ সময় জেগে থাকা (late night screen time) এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। কারণ, জেগে থাকলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে এবং দেহে আবার খিদের অনুভূতি জাগে। তবে, যদি কোনও কাজের জন্য দেরি পর্যন্ত জেগে থাকতেই হয়, সে ক্ষেত্রে ফল (fruit), বাদাম (nuts) বা দই (yogurt) জাতীয় হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার (healthy snack) খাওয়া যেতে পারে। তবে তার পরিমাণ যেন অল্প হয়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এইভাবে নিয়ম মেনে চললে শুধু রাতের খিদে নিয়ন্ত্রণেই নয়, শরীর ও ঘুম— দুই-ই থাকবে একদম সুস্থ ও সুশৃঙ্খল (healthy lifestyle & proper sleep cycle)।