Donald Trump: পাকিস্তানকে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা, দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশল বদলের বার্তা?

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনার আবহেই পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল (Air to দিচ্ছে আমেরিকা। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের সরাসরি মদতে এই চুক্তি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিসরে। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পরই এই অস্ত্রচুক্তির তথ্য সামনে আসে। মার্কিন যুদ্ধবিভাগের তরফে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান AMRAAM (AIM-120 Advanced Medium-Range Air-to-Air Missile) ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে। অস্ত্র নির্মাতা রেথিয়ন ইতিমধ্যেই ৪১.৬ মিলিয়ন ডলারের অগ্রিম অর্থ পেয়েছে।

আরও পড়ুন: West Bengal Teacher Requirements: অবশেষে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু! আগামী সপ্তাহেই প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্যপদে আবেদন গ্রহণ

যদিও পাকিস্তান ঠিক কতগুলি মিসাইল পাচ্ছে, তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এই চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকটি দেশ ব্রিটেন, জার্মানি, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরব। সব মিলিয়ে, ২০৩০ সালের মধ্যে এসব দেশের হাতে ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় কূটনৈতিক মহল মনে করছে, অপারেশন ‘সিঁদুর’ এবং কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোণঠাসা পাকিস্তান ফের একবার মার্কিন ছত্রছায়ায় নিজেদের সামরিক ভরসা খুঁজছে। পাশাপাশি, খনিজ সম্পদ ও কৌশলগত সুবিধা বিনিময়ের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে ইসলামাবাদ। মার্কিন চাপেই পাকিস্তান সম্প্রতি তাদের বিরল খনিজের প্রথম চালান আমেরিকাকে পাঠিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির নজর যেমন রয়েছে পাকিস্তানের উপর, তেমনই বাংলাদেশকেও পর্যবেক্ষণে রেখেছে সাউথ ব্লক। কারণ, জানা যাচ্ছে, ২.২ বিলিয়ন ডলারে চিনের কাছ থেকে ২০টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ঢাকা। এই চুক্তির মধ্যে রয়েছে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ, পাইলট প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সহায়তাও। অনুমান, ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে বিমানগুলি বাংলাদেশ বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিরক্ষা কৌশলে আমেরিকা ও চিনের এই পরোক্ষ প্রভাব, ভারতের জন্য এক নতুন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole