Dhanteras 2025 : অমঙ্গল এড়াতে ধনতেরাসে কখনো এসব জিনিস করবেন না, মা লক্ষ্মীর প্রিয় আশীর্বাদ পেতে সচেতন হোন

অফবিট লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: আলোর উৎসব দীপাবলি (Diwali) শুরু হয় ধনত্রয়োদশী বা ধনতেরাস (Dhanteras) তিথি দিয়ে, যা বিশেষভাবে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে সোনা (gold), রুপো (silver) বা নতুন বাসন (utensils) কিনলে সারাবছর ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে এবং দেবী লক্ষ্মী (Goddess Lakshmi) আশীর্বাদ বর্ষণ করেন। তবে এই শুভ দিনে কিছু জিনিস কেনা ঘোর অশুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এগুলি আপনার আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সৌভাগ্যের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আসন্ন ধনতেরাসে এই বিষয়গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমেই, ধারালো জিনিস (sharp objects) কেনা এড়ানো উচিত। ছুরি, কাঁচি, পিন বা সূঁচের মতো ধারালো বস্তু ঘরে নেতিবাচক শক্তি আনতে পারে এবং সৌভাগ্যকে দূরে ঠেলে দিতে পারে।

আরও পড়ুন: NEET SS 2025: ডিসেম্বরেই হবে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট সুপার স্পেশ্যালিটি, জানাল NBEMS

দ্বিতীয়ত, কালো রঙের জিনিস (black items) কেনা এই দিনে শুভ নয়। কালো রঙ সাধারণত শোক ও নেতিবাচকতার প্রতীক। তাই পোশাক, বাসন বা অন্য কোনও জিনিসে কালো ব্যবহার এড়ানো শ্রেয়।

তৃতীয়ত, লোহা বা স্টিলের বাসন (iron or steel utensils) শনিবার ধনতেরাসে কিনলে শুভ ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে। জ্যোতিষ মতে, শনিবার লোহা কেনার কারণে শনি গ্রহের প্রভাব বাড়তে পারে এবং আর্থিক ক্ষতি আসতে পারে।

চতুর্থত, কাচের জিনিসপত্র (glass items) কেনা এই দিনে পরিহার করা উত্তম। কাচ ভঙ্গুর এবং দুর্বল বলেই মনে করা হয়, যা আর্থিক স্থিতিশীলতার অভাব এবং নেতিবাচক শক্তি আকর্ষণ করতে পারে।

পঞ্চম, তেল বা ঘি (oil or ghee) কেনাও ধনতেরাসে শুভ নয়। এই ধরনের জিনিস কৃপণতা ও আর্থিক ক্ষতির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। প্রয়োজনে একদিন আগে কিনে রাখা ভালো।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সবশেষে, নতুন পাত্র (new vessels) কখনও খালি অবস্থায় ঘরে আনা উচিত নয়। ভেতরে চাল, শস্য বা সামান্য মিষ্টি ভরে ঘরে আনলে তা সৌভাগ্য বৃদ্ধি করে। ধনতেরাস শুধু সোনা কেনার দিন নয়। নিজের ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী যেকোনো জিনিস কিনতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল মন থেকে বিশ্বাস ও ভক্তি (faith and devotion) রাখা। এই দিনটিতে সতর্ক ও সচেতন থাকলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি এবং মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বজায় থাকে।