নিউজ পোল ব্যুরো: ইন্ডাস্ট্রির নতুন মায়েদের মধ্যে অন্যতম অভিনেত্রী অহনা দত্ত (Ahona Dutta)। দর্শকদের কাছে যিনি এখনও অতি প্রিয় তার জনপ্রিয় ধারাবাহিকের চরিত্র ‘মিশকা’ (Mishka) হিসেবে। তবে ছোট পর্দা (Television Industry) থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, তার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু এখন কন্যা মীরা (Mira)। মা হিসেবে এই নতুন অধ্যায়ে সম্পূর্ণ নিমগ্ন অহনা (Ahona Dutta)। মেয়ের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তই এখন তার কাছে অমূল্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) সক্রিয় অহনা মাঝেমধ্যেই শেয়ার করেন কন্যার নানা আদুরে মুহূর্ত। কখনও মেয়ের হাসি, কখনও আবার ছোট ছোট অভ্যাস সবই ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের (Vaccine) পরেও নাকি কান্নাকাটি করে না তার মেয়ে মীরা। সাধারণত ইনজেকশনের (Injection) পর শিশুরা কেঁদে ওঠে, অনেকেরই জ্বরও আসে। কিন্তু মীরার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম! অহনা নিজেই জানালেন এর আসল রহস্য—‘স্কিন টু স্কিন’ (Skin to Skin) পদ্ধতি। চিকিৎসকদের (Doctors) পরামর্শে অহনা (Ahona Dutta) জন্মের পর থেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, “স্কিন টু স্কিন করি বলে খুব বেশিক্ষণ মীরা কাঁদে না। হয়তো দুই-তিন মিনিটের জন্য কাঁদে, তার বেশি নয়।” প্রথম দিন থেকেই মেয়েকে বুকের কাছে ধরে রাখেন অহনা, যা শুধু মীরার মানসিক শান্তিই দেয় না, বরং শরীরের তাপমাত্রা ও হৃদস্পন্দনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। এই সংযোগটি মা ও সন্তানের মধ্যে এক অমূল্য বন্ধন (Mother-Child Bonding) গড়ে তোলে।
https://www.facebook.com/share/v/1Ebau8pDUV/
অহনার (Ahona Dutta) মতে, এই পদ্ধতি একধরনের ব্রেন বুস্টার (Brain Booster) হিসেবেও কাজ করে। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট সময় যদি মা সদ্যোজাত শিশুকে বুকের কাছে রাখেন, তা শিশুর মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার (Physical Health) জন্যও অত্যন্ত কার্যকর। অহনার (Ahona Dutta) কন্যা মীরা ইতিমধ্যেই তিন নম্বর ভ্যাকসিনও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে। আগামী মাসে রয়েছে পরবর্তী ডোজ। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তখনও একই নিয়ম মেনে চলবেন তিনি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
এ ছাড়াও অহনা (Ahona Dutta) মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়েদের সঙ্গে নানা বিষয়ে পরামর্শ বিনিময় করেন। সম্প্রতি মেয়ের অভ্যাস নিয়ে একটি প্রশ্নও রেখেছিলেন—“হাই তুললেই মীরা হাত মুখে দেয়, তখন কী করা উচিত?” এমন প্রশ্নে স্পষ্ট, মা হিসেবে অহনা নিজেও শিখছেন প্রতিনিয়ত, বড় করছেন নিজেকেও মেয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। অহনার এই মাতৃত্বযাত্রা (Motherhood Journey) যেন আরও এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে তরুণী মায়েদের কাছে।
