নিউজ পোল ব্যুরো: দিন দু’য়েক ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ঝড় তুলেছেন অভিনেতা ঋজু বিশ্বাস (Riju Biswas)। একসময় জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘বউ কথা কও’ (Bou Kotha Kao)-র ‘নিখিল’ চরিত্রের সুবাদে যিনি ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন, সেই অভিনেতাই এখন নেটিজেনদের (Netizens) তীব্র সমালোচনার মুখে! কী এমন ঘটল যে প্রিয় অভিনেতা এখন হয়ে উঠেছেন নেটবাসিন্দাদের চক্ষুশূল?
আরও পড়ুন : Foreign Body Removal : বাংলায় প্রথম! কুকুরের পেট থেকে ধাতব বস্তু বের হল এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে
ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। এক উঠতি মডেল (Model) সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋজুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত চ্যাটের (Private Chat Screenshot) কিছু স্ক্রিনশট শেয়ার করে অভিযোগ তোলেন ভার্চুয়াল হেনস্তার (Online Harassment)। সেই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, অভিনেতা একাধিকবার মন্তব্য করেছেন— “শাড়ি পরে ভালো লাগছে।” এরপর থেকেই নেট দুনিয়ায় (Internet) ছড়িয়ে পড়ে মিম (Memes), কটাক্ষ এবং ট্রোল (Trolls)-এর বন্যা। এমনকী, আরও কিছু মহিলা একই অভিযোগ তুলে অভিনেতার সঙ্গে তাদের কথোপকথনের প্রমাণও সামনে আনেন। অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক বাড়তেই ঋজু পালটা আইনি পদক্ষেপ (Legal Action) নিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ায় তিনি নিজেই সামনে এসে ব্যাখ্যা দেন। অভিনেতার সাফ জবাব— “শাড়িতে ভালো লাগছে বলাটা কি অপরাধ? আমি বহু মানুষকে এভাবে প্রশংসা করেছি। ফেসবুকে একজন আরেকজনকে মেসেজ (Message) করলে তাতে দোষ কোথায়?” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি কখনও অশালীন কিছু লিখিনি। কেউ দেখাতে পারবেন না যে আমি কোনও অশালীন প্রস্তাব (Indecent Proposal) দিয়েছি। দু’দিন আগেও নিজের মাকেও একইভাবে প্রশংসা করেছি।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
ঋজু বিশ্বাস জানিয়েছেন, অনেকেই তাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন নিজের প্রোফাইল হ্যাক (Profile Hack) হয়েছে বলে দাবি করতে। কিন্তু অভিনেতার কথায়, “আমি মিথ্যে বলতে চাই না।” বরং তিনি খোলাখুলিভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তার আরও দাবি, গত সাত মাস ধরে তার হাতে কোনও কাজ নেই। উপরন্তু, তার মা ক্যানসারে (Cancer) আক্রান্ত। পরিবার আর্থিক সংকটের (Financial Crisis) মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব অভিনয়ে (Acting Career) ফিরতে চান তিনি। তবে এই বিতর্কে নেটিজেনদের একাংশ ঋজুর পাশে দাঁড়ালেও, অধিকাংশই এখনও তার ‘শাড়ি মন্তব্য’ নিয়ে বিদ্রুপ ছাড়ছেন না। সোশ্যাল মিডিয়া এখন কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত— একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে সমালোচনা।
