নিউজ পোল ব্যুরো: কলকাতা পুর এলাকায় যাদের জন্ম হয়েছে, তাদের সবাই জন্মের শংসাপত্র পাবেন, যদি নথি সঠিক থাকে। নাগরিকদের সঙ্গে ফোনে আলাপচারিতা, ‘টক টু মেয়র’-এর এক প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)। মেয়র জানিয়েছেন(Firhad Hakim), “পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইটেই দেখা যাচ্ছে, কোন সাল পর্যন্ত জন্মের শংসাপত্র দেওয়া সম্ভব। তাই অহেতুক বিষয়টিকে জটিল বা ঘোলাটে করা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়।” এর আগে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জন্মের শংসাপত্র নিয়ে (RTI) করেছিলেন। সেই জবাবে ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ পালটা মন্তব্য দিয়েছিলেন। এদিন মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)আরও এক ধাপ এগিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “কম্পিউটার খুলে একবার দেখলেই সব স্পষ্ট হয়ে যায়। কোথায়, কখন এবং কতজনকে জন্মের শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে—সব তথ্য বিস্তারিতভাবে ওয়েবসাইটে আছে।”
এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র (Firhad Hakim) আরও জানান, এসআইআর বা (SIR) কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য পুরসভার অনেক কর্মীকে বিশেষভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রের খবর, প্রায় ২৫০ জন পুরকর্মীকে এই কর্মসূচির কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন বিভাগে পুর পরিষেবার স্বাভাবিক প্রবাহে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় তিনজনের কাজ এককর্মীকে করতে হচ্ছে। মেয়র(Firhad Hakim) উল্লেখ করেন, “অতিরিক্ত কাজের পরও আমাদের কর্মীরা ধৈর্য ধরে সেবা নিশ্চিত করছেন, যাতে পুরভিত্তিক পরিষেবার কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে উঠে এসেছে, কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইটে জন্ম শংসাপত্রের তথ্য স্বচ্ছভাবে প্রকাশিত এবং নাগরিকদের কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। এছাড়া, তিনি জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, নথি সঠিক থাকলে প্রত্যেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জন্ম শংসাপত্র পেতে পারবেন। পুরসভার কর্মীদের অতিরিক্ত চাপ থাকা সত্ত্বেও সেবার মানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
