Purbo Burdwan: SIR পূরণে সাধারণের পাশে তৃণমূল যুব, বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ মন্ত্রীর

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আগামী ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত হল একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা। রবিবার মেমারি কলেজে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রাজবিহারী হালদার, জেলা এসটি–ওবিসি সেলের সভাপতি ও বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, এবং মেমারি পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী। এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল—গ্রাসরুট স্তরে সংগঠনের কর্মীদের আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা এবং প্রতিটি বুথে তৃণমূলের উপস্থিতি আরও মজবুত করা। এদিন বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় বর্তমানে রাজ্যজুড়ে চলতে থাকা SIR (Social Identification Record) Form পূরণের কাজকে। যাতে সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা না হয়, সেই বিষয়ে তৃণমূল যুব কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহায়তা করার নির্দেশ দেন নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন:Kolkata: ১৫ বছরের পুরনো বাস নয় আর ‘অবসরপ্রাপ্ত’! ফিট থাকলে চলবে শহরের রাস্তায়

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ স্পষ্ট বক্তব্যে জানান, “প্রত্যেকটি বুথের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছতে হবে। মানুষের সুবিধা–অসুবিধা বোঝা, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সমস্যা সমাধানে পাশে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে জরুরি।”তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রত্যেক কর্মীকে মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং স্থানীয় স্তরে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এদিনের কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করা নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ ‘বাংলা ডিজিটাল যোদ্ধা (Bengal Digital Yoddha)’ নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের উন্নয়ন ও সরকারি প্রকল্পের তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছে। নেতৃত্বের দাবি—এই প্ল্যাটফর্মে যত বেশি যুবক যুক্ত হবেন, তত দ্রুত দলের কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

জেলা যুব সভাপতি রাজবিহারী হালদার বলেন, “১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবকর্মীদের নিয়ে এই প্রশিক্ষণ শিবির সাজানো হয়েছে। ভবিষ্যতে কীভাবে মাঠে নামতে হবে, মানুষের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে—সব নির্দেশ আজ দেওয়া হল।” প্রশিক্ষণ শিবির শেষে নেতৃত্বের একটাই বার্তা—প্রতিটি বুথে পৌঁছনো, মানুষের সমস্যা শোনা এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে তোলা।