নিউজ পোল ব্যুরো: রেটিং চার্টে বারবার ‘বেঙ্গল টপার’ হওয়ার পরও বদলে গেল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘রাজরাজেশ্বরী রাণী ভবানী’-র (Rani Bhabani) সময়সূচি। এত দিন স্টার জলসায় (StarJalsha) রাত সাড়ে আটটায় প্রচারিত হত ধারাবাহিকটি। কিন্তু হঠাৎই আজ থেকে সেটি সরে এল বিকেল পাঁচটার স্লটে। এই আকস্মিক বদল ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। যাকে কেন্দ্র করে এত আলোচনা— সেই নায়িকা রাজনন্দিনী পাল (Rajnandini Pal)শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারেননি। তবে তার পক্ষ থেকে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী মা ইন্দ্রাণী দত্ত (Indrani Dutta)। তিনি নিজেও শীঘ্রই দেখা দেবেন স্নেহাশিস চক্রবর্তীর আর একটি নতুন ধারাবাহিক, ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’-তে। ইন্দ্রাণীর মতে, চ্যানেলের এই সিদ্ধান্তে অনেক দর্শকই ক্ষুব্ধ। তিনি জানান, “ধারাবাহিকের যে বিশ্বস্ত দর্শকরা প্রতিদিন রাত সাড়ে আটটায় বসে দেখতেন, তাদের অনেকেই পাঁচটায় বাড়িতে ফেরেন না। অনেকেই আমাকে বলছেন, তারা নিয়মিত দেখতে পারবেন না।”
আরও পড়ুন : Tesla AI : মানুষের ডিজিটাল কপি তৈরি করবে টেসলার ‘অপ্টিমাস’,২০ বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সভ্যতার চেহারা
মেয়ে রাজনন্দিনীকে (Rajnandini Pal) নিয়ে ইন্দ্রাণী (Indrani Dutta) আরও বলেন, “ওকে এসব কিছুই বিচলিত করছে না। ও মনের মতো চরিত্র পেয়েছে, তাই নিজের সবটুকু দিচ্ছে। রাজনন্দিনী বাঁ হাতে কাজ করে, অথচ ধারাবাহিকে সব কিছুই ডান হাতে দেখাতে হচ্ছে— ভারী তলোয়ার চালানো থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব দৃশ্য। বাড়ি ফিরেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পরের দিনের শটের মহড়া দেয়।” ইন্দ্রাণীর বিশ্বাস, এই পরিশ্রমই মেয়েকে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে। ধারাবাহিকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রাভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত, ছোটপর্দায় ‘রানির ননদ’, তিনিও সময় বদলের বিষয়ে খুব মাথা ঘামাতে চান না। তার কথায়, “এতে রেটিং বাড়বে না কমবে— এসব ভাবলে কাজ এগোয় না। আমাদের লক্ষ্য একটাই— নতুন স্লটেও ‘স্লট লিডার’ হওয়া।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
কিন্তু কেন এই পরিবর্তন? জানানো হচ্ছে, স্নেহাশিস চক্রবর্তীর নতুন ধারাবাহিক ‘বিদ্যা ব্যানার্জি’-র জন্যই নাকি জায়গা খালি করতে হয়েছে। সূত্রের দাবি, রাজনন্দিনীর জায়গায় আসছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত। তবে পরিচালক সুমন দাস এই নিয়ে খুব বেশি জল ঘোলাতে নারাজ। তার ব্যাখ্যা, “স্টার জলসায় (StarJalsha) বিকেল পাঁচটায় কোনও নতুন স্লট ছিল না। পুরনো ধারাবাহিক রিপিট হত। সম্ভবত তাই আমাদের রাখা হচ্ছে। যদি আমরা এই স্লটে ‘স্লট লিডার’ হতে পারি, ভবিষ্যতে চ্যানেল নতুন ধারাবাহিক আনতে পারবে।” তবে দর্শক সংখ্যার যে কিছুটা হ্রাস হতে পারে, তা স্বীকার করলেও সুমন দাস চুপচাপ কাজ করে যেতে চান। তার কথায়, “আমার দায়িত্ব পরিচালনা। যে সময় দেওয়া হবে, সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করব।” বহু বছর ধরে এই দুনিয়ায় থাকার অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর মত— ফল যাই হোক, নিষ্ঠা কখনও বদলায় না।
