নিউজ পোল ব্যুরো: স্বপ্নের শুরু করেও পরের ম্যাচে ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল(East Bengal)। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (AFC Women’s Champions League) দ্বিতীয় ম্যাচে হার ইস্টবেঙ্গল মহিলা দলের। ইরানের বাম খাতুন এফসির বিরুদ্ধে নজরকাড়া ফুটবল খেলে জয় পেয়েছিল লাল-হলুদ শিবির। বৃহস্পতিবার গ্রুপ ম্যাচে উহান জিয়াংদার (Uhan Jiyangdar) বিরুদ্ধে ড্র করলেই শেষ আটে জায়গা পাকা হত অ্যান্থনি অ্যান্ড্রজের (Anthony Andrews) দলের। কিন্তু গতবারের চ্যাম্পিয়নদের সামনে হার মানতে হলো ফাজিলাদের।
আরও পড়ুন:Rationing: রেশন বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়াতে AI ব্যবস্থার সূচনা করলো সরকার
ম্যাচের আগে কিছুটা চাপে ছিল উহান জিয়াংদা। প্রথম ম্যাচে নাসাফের সঙ্গে ড্র করায় জয়ের প্রয়োজন ছিল তাদেরই বেশি। ঘরের মাঠে খেলায় বাড়তি সুবিধা তো ছিলই, সঙ্গে ইয়াও ইয়েউ, উই হাইয়ান ও ওয়াং শুয়াংয়ের প্রত্যাবর্তন দলটিকে করে তুলেছিল আরও শক্তিশালী। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় চাপে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের সবচেয়ে বড় তারকা ছিলেন চীনের সুপরিচিত ফুটবলার ওয়াং শুয়াং। জাতীয় দলে যেমন তিনি অসাধারণ নৈপুণ্য দেখান, ক্লাব ফুটবলেও তিনি একইভাবে প্রভাব বিস্তার করেন। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে সেই ওয়াং শুয়াংয়ের শট ভেদ করে বল জড়িয়ে যায় লাল-হলুদ জালে। ১৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন তিনি।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কর্নার পেলেও গোলের দেখা পায়নি ইস্টবেঙ্গল। বল দখলেও পিছিয়ে পড়ে ভারতীয় দল—চিনের ক্লাবের দখলে ছিল ৬৬ শতাংশ পজেশন। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। একাধিকবার নিশ্চিত গোল রুখে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার পান্থই চানু। ৬৬ মিনিটে গোললাইন সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন লাল-হলুদের ডিফেন্ডারও।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
শেষ পর্যন্ত আর গোল হয়নি। সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচের জয়ের পর আশা তৈরি হলেও শক্তিশালী ইউহান জিয়াংদার সামনে হার মেনে নিতে হল লাল-হলুদ শিবিরকে।

এই পরাজয় সত্ত্বেও ইস্ট বেঙ্গলের খেলোয়াড়রা ম্যাচ শেষে দৃঢ় মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন—এশিয়ার সেরা ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে শেখার অনেক সুযোগ রয়েছে, যা ভারতের মহিলা ফুটবলের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে ইস্ট বেঙ্গল ও অন্যান্য ভারতীয় মহিলা দলের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানে ফুটবল খেলার আত্মবিশ্বাস দেবে।
