Aadhaar Card: ডিসেম্বর থেকে মৃতদের আধার নিষ্ক্রিয় হবে অনলাইনে, জেনেবও নিন আবেদন করবেন কীভাবে

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করার ক্ষেত্রে এবার একটি নতুন ও সুস্পষ্ট নিয়ম চালু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। আগামী ডিসেম্বর মাস থেকেই পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া কার্যকর হবে। এই নিয়মের আওতায় কোনও ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার আধার কার্ড আর স্বয়ংক্রিয় ভাবে সক্রিয় থাকবে না, বরং পরিবারের তরফে আবেদন জানিয়ে সেটি নিষ্ক্রিয় করতে হবে।

আরও পড়ুন: SSC Recruitment Case: অবশেষে আদালতের নির্দেশে প্রকাশ্যে অযোগ্যদের সম্পূর্ণ তালিকা

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করার দায়িত্ব থাকবে তার নিকটাত্মীয়দের উপর। বাবা, মা, স্বামী বা স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, সহোদর ভাই-বোন কিংবা আইনসম্মত অভিভাবক এই আবেদন করতে পারবেন। অন্য কোনও আত্মীয়, প্রতিবেশী বা পরিচিত ব্যক্তি এই কাজ করতে পারবেন না। আবেদনকারীকে নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁর নিজের আধার নম্বরের সঙ্গে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর যুক্ত রয়েছে, কারণ গোটা প্রক্রিয়াটি ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রথমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (UIDAI) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে অথবা ‘মাই আধার’ অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। সেখানে মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর, মৃত্যুর শংসাপত্র (Death Certificate) এবং প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য আপলোড করতে হবে। সব তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীর মোবাইলে একটি ওটিপি পাঠানো হবে, যা দিয়ে আবেদন যাচাই হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর আধার নিষ্ক্রিয় হতে সর্বোচ্চ ৯০ দিন সময় লাগতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের বহু রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই নিয়ম ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা, সিকিম, জম্মু ও কাশ্মীর, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ সহ আরও একাধিক অঞ্চলে পরিবারের মাধ্যমে আধার নিষ্ক্রিয় করার সুবিধা রয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে। এতদিন রাজ্যে মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করার জন্য কোনও নির্দিষ্ট ও সহজ প্রক্রিয়া ছিল না। ফলে বহু ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আধার ব্যবহার করে ভর্তুকি, পেনশন বা সরকারি সুযোগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন এই নিয়ম চালু হলে ভুয়ো লেনদেন ও দুর্নীতির পরিমাণ কমবে বলে আশা করছে প্রশাসন। পাশাপাশি, সরকারি তথ্যভান্ডার আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল হবে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আধার ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলাই কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।