নিউজ পোল ব্যুরো: মূল্যবৃদ্ধির চাপে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে। এমন অবস্থায় সাধারণ ডিমের দামও যখন প্রতিদিনই ঊর্ধ্বমুখী, তখন সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এভাবে চললে খাবে কী? তার উপর আবার নকল ডিমের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেলে উদ্বেগ আরও বাড়ে। তবে চিন্তার কিছু নেই। কয়েকটি সহজ পরীক্ষায় আপনি বাড়িতেই বুঝে নিতে পারবেন ডিমটি আসল নাকি নকল।
শীতের মরসুমে ভারতীয় দেশি মুরগি এবং দেশি ডিমের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষত আমিষভোজীদের কাছে এই সময় ডিম শক্তি, পুষ্টি এবং উষ্ণতার অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। ডিমে থাকা প্রোটিন, ভিটামিন এবং ওমেগা-৩ শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং শক্তি বাড়ায়। কিন্তু আপনি যে ডিম প্রতিদিন খাচ্ছেন সেটি নিঃসন্দেহে আসল তো? ক্রমবর্ধমান চাহিদার সুযোগ নিয়ে বাজারে নকল ভারতীয় ডিমের বিক্রিও বাড়ছে। তাই আসল ডিম চেনার কৌশল জানা খুবই জরুরি।
দেশি ডিম সাধারণত আকারে ছোট ও হালকা বাদামি রঙের হয়। অন্যদিকে নকল ডিম বেশ বড় এবং একেবারে সাদা রঙের দেখা যায়। অনেক সময় চায়ের রঙে নকল ডিম ডুবিয়ে বাদামি রঙ দেওয়া হয়, যাতে তা দেশি ডিমের মতো দেখায়। দেশি ডিমের স্বাদ হালকা নোনতা ও সুস্বাদু, কিন্তু নকল ডিমের স্বাদ ফিকে এবং অস্বাভাবিক। দেশি ডিমের খোসা বেশ শক্ত ও ঘন হলেও নকল ডিমের খোসা পাতলা, নরম এবং সহজে ভেঙে যায়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
আসল ডিম সাধারণত নিস্তেজ ও সামান্য রুক্ষ হয়, কিন্তু নকল ডিম দেখতে অস্বাভাবিকভাবে চকচকে। খোসা হাতে ঘষলে নকল ডিমে চা পাতার রঙ উঠে আসতে পারে, যা দেশি ডিমে কখনই হয় না। নকল ডিমে চা পাতার মতো হালকা গন্ধও থাকতে পারে, অথচ আসল ডিমে কোনও গন্ধ থাকে না। শীতকালে দেশি ডিম খাওয়ার উপকারিতাও প্রচুর। এতে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন এ, ই, কে, ওমেগা-৩, জিঙ্ক ও ফসফরাস, যা শরীরকে শক্তি দেয়, ইমিউনিটি বাড়ায় এবং ঠান্ডার মধ্যে শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী করে এবং ওমেগা-৩ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
