H-1B Visa: সোশাল মিডিয়াই কাল? H-1B ভিসা পেতে বাড়তি স্ক্রিনিংয়ে ধাক্কা ভারতীয় পেশাদারদের

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে মার্কিন অভিবাসন নীতিতে ফের এক দফা কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। এবার এইচ-১বি ভিসা (H-1B Visa) সংক্রান্ত নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদনকারী নতুন প্রার্থী এবং পুনর্নবীকরণ—উভয় ক্ষেত্রেই আবেদনকারীদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের তথ্য আরও স্বচ্ছ বা ‘পাবলিক’ রাখতে হবে। মূল উদ্দেশ্য, আবেদনকারীদের উপর কড়া নজরদারি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করা।

সোমবার থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি এবং তার উপর নির্ভরশীল এইচ-৪ ভিসা (H-4 Visa) আবেদনকারীদের জন্য বর্ধিত স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল আবেদনকারীদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল পরীক্ষা। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রাম বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাঁদের পোস্ট, মন্তব্য ও কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে ভিসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:Tarakeswar: শিশুর ভিটামিন সিরাপের বোতল খুলতেই মাকড়সা, তীব্র শোরগোল তারকেশ্বরের

এই নতুন নির্দেশিকাকে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির (Strict Immigration Rules) আরও একটি ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, এইচ-১বি ভিসা প্রোগ্রামের অপব্যবহার (H-1B Visa Misuse) রুখতেই এই পদক্ষেপ। মূলত প্রযুক্তি সংস্থাগুলি এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগ করে থাকে। এইচ-১বি ভিসাধারীদের মধ্যে ভারতীয় পেশাদারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়, এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ভারতীয়দের উপরই সবচেয়ে বেশি পড়তে চলেছে। এরই মধ্যে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস (US Embassy in India) ভিসা আবেদনকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা জারি করেছে। জানানো হয়েছে, কেউ যদি ইমেলের মাধ্যমে জানতে পারেন যে তাঁর ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পুনঃনির্ধারিত হয়েছে, তবে তাঁকে ‘মিশন ইন্ডিয়া’ (Mission India Visa Portal) প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। পুনর্নির্ধারিত তারিখের ইমেল থাকলেও, নির্ধারিত নিয়ম না মানলে কনস্যুলেটে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

মার্কিন বিদেশ দপ্তর (US Department of State) স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভিসা আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত সোশাল মিডিয়া তথ্য পাবলিক রাখতে হবে। আবেদনকারীর অনলাইন কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করেই প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র বা তার নাগরিকদের জন্য কোনও সম্ভাব্য হুমকি কি না। এই ধরনের ঝুঁকি মনে হলে ভিসা আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে। শুধু কর্মভিসাই নয়, পড়ুয়াদের ভিসার ক্ষেত্রেও (Student Visa Screening) একই ধরনের কড়া যাচাই প্রক্রিয়া চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।