নিউজ পোল ব্যুরো: দ্বিতীয়বার মা হওয়ার আনন্দের মাঝেই আবেগের টানাপোড়েনের কথা অকপটে তুলে ধরলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ভারতী সিং (Bharti Singh)। ১৯ ডিসেম্বর তার ও স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়ার (Harsh Limbachiyaa) সংসারে এসেছে দ্বিতীয় পুত্রসন্তান। হাসপাতাল থেকেই ভক্তদের সঙ্গে সুখবর ভাগ করে নিয়েছিলেন ভারতী (Bharti Singh)। এখনও তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন, তবে নিজেই জানিয়েছেন—মা ও সন্তান দু’জনেই আপাতত সুস্থ আছেন। দ্বিতীয় সন্তানকে আদর করে ‘কাজু’ (Kaju) নামে ডাকছেন ভারতী(Bharti Singh)-হর্ষ(Harsh Limbachiyaa)। নিয়মিত ভ্লগের মাধ্যমে জীবনের এই বিশেষ অধ্যায়ের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। যদিও ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ছোট্ট কাজুর (Kaju) মুখ দেখার জন্য, ভারতী (Bharti Singh) জানিয়ে দিয়েছেন—আরও অন্তত তিন মাস পরেই সন্তানের মুখ প্রকাশ্যে আনবেন তিনি।
আরও পড়ুন : Weather Update : বড়দিনের আগেই জাঁকিয়ে শীত! দক্ষিণবঙ্গে দ্রুত নামছে পারদ, কী বলছে আবহাওয়া দফতর
তবে এই খুশির আবহের মাঝেই ভারতীর (Bharti Singh) একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজের ভ্লগে তিনি খোলাখুলি স্বীকার করেছেন, দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর এখনও তার মধ্যে সেই আবেগ কাজ করছে না, যেটা তিনি প্রথম সন্তান গোলার ক্ষেত্রে অনুভব করেছিলেন। ভারতী(Bharti Singh) বলেন, “আমার ভিতরে যেন কোনও অনুভূতিই আসছে না। বুঝতে পারছি না কাজুকে (Kaju) আমি ভালোবাসতে পারব কি না। এখন শুধু গোলার প্রতিই টান অনুভব করছি।” এই মন্তব্য ঘিরে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কন্যাসন্তানের আশায় থাকা ভারতী কি পুত্রসন্তান হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন? তবে মনোবিদদের মতে, সন্তান জন্মের পর এমন অনুভূতি অস্বাভাবিক নয়। এটি অনেক সময় প্রসবোত্তর মানসিক পরিবর্তনের অংশ হতে পারে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ভ্লগে ভারতী (Bharti Singh) তার শারীরিক অসুস্থতার কথাও তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, সন্তান জন্মের আগের রাতে তার শরীরে হঠাৎ অস্বস্তি শুরু হয়। কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম, জামাকাপড় ও বিছানার চাদর ভিজে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। সেই সময় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন ভারতী(Bharti Singh)। তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারছিলাম না কী করব। কারও সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করতেও পারছিলাম না। শুধু চাইছিলাম সব কিছু যেন ঠিকঠাক হয়।” এই কঠিন সময়ে স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়াও (Harsh Limbachiyaa) পাশে ছিলেন বলেই জানান ভারতী। অনুরাগীদের কাছে প্রার্থনার আবেদনও রেখেছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা যে শুধু আনন্দ নয়, বরং মানসিক ও শারীরিক চ্যালেঞ্জেও ভরা—ভারতীর এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি সেই বাস্তবতাকেই সামনে আনল।
