Abhishek Banerjee: মহারাষ্ট্রে বাংলার শ্রমিকদের ওপর চরম অত্যাচার! অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে যন্ত্রণার কাহিনি শোনালেন ২ যুবক

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: শুধু বাংলায় কথা বলাই কাল হল। সেই অপরাধেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা জুটে গিয়েছিল কপালে। ফলস্বরূপ, মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) জেলের দমবন্ধ করা ছোট্ট কুঠুরিতে কাটাতে হয়েছে দীর্ঘ মাসের পর মাস। ঠিকমতো খাবার জোটেনি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও সুযোগ ছিল না। একমাত্র রোজগেরে সদস্য জেলবন্দি থাকায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিল পরিবারের লোকজনও। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাই এবার প্রকাশ্যে তুলে ধরলেন বালুরঘাটের দুই পরিযায়ী শ্রমিক অসিত সরকার ও গৌতম বর্মন। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা তাঁদের যন্ত্রণার কথা জানান এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) কৃতজ্ঞতা জানান।

আরও পড়ুন: Pakistan: পাকিস্তানে লস্কর-হামাস ‘গোপন বৈঠক’! ভারতে কি বড়সড় নাশকতার ছক? তুঙ্গে নিরাপত্তা সতর্কতা

মহারাষ্ট্রের জেলে সাত মাস বন্দি থাকা অসিত সরকার বলেন, “এই সাত মাসে কী যে কষ্ট করেছি, তা ভাষায় বোঝানো যাবে না। পরিবার না খেয়ে থেকেছে, আমিও জেলের ভিতরে অমানবিক অবস্থায় ছিলাম। তৃণমূল উদ্যোগ না নিলে হয়তো আজও মুক্তি মিলত না। বাড়ি ফিরে স্ত্রী-সন্তানের মুখের হাসি দেখে মনে হচ্ছে আবার বাঁচতে পারছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কাছে আমরা আজীবন ঋণী।”

একই রকম অভিজ্ঞতার কথা জানান গৌতম বর্মন। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের জেলেপাড়ায় কাজ করতে গিয়ে পুলিশ ধরে নেয়। আমি জেল থেকে ফোন করলে আমার স্ত্রী বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে যান। তিনি বলেন, মেয়াদ শেষ হলে এমনিই ছাড়া পাবে। তারপর তিন মাস কোনও খোঁজই নেয়নি বিজেপি। পরে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হস্তক্ষেপে আমাদের মুক্তি হয়। জেলে থাকা অবস্থায় খাবার থেকে শুরু করে আইনগত সহায়তা সবই করেছে তৃণমূল।”

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গৌতম বর্মন নিজেই বিজেপির বুথ সহ-সভাপতি ছিলেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ব্লকের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পুলিন্দার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও দলীয় পরিচয় তাঁর কোনও কাজে আসেনি।

পরিযায়ী শ্রমিকদের বক্তব্য শুনে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রে বিজেপির সরকার, কেন্দ্রেও বিজেপি। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অন্তত একবার ফোন করে বলা যেত বাংলায় কথা বলার জন্য কাউকে কেন জেলে ঢোকানো হয়েছে। ফোন করতে তো কোনও ট্যাক্স লাগে না। কিন্তু বাংলার মানুষের জন্য বিজেপির কোনও দায়বদ্ধতা নেই।” পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) ‘স্টপেজ মিনিস্টার’ বলেও কটাক্ষ করেন অভিষেক, এবং বলেন রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole