Piercing: শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মঞ্চে নতুন চমক, দাঁতে হিরে বসালেন এই তরুণ সেতারশিল্পী

পেজ 3

নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তরুণ প্রজন্মের অন্যতম পরিচিত মুখ ঋষভ রিখিরাম শর্মা। সেতারবাদক হিসেবে খুব অল্প বয়সেই তিনি নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করে ফেলেছেন। দেশ-বিদেশের নানা মঞ্চে তাঁর সেতার পরিবেশনা মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের। এমনকি বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাশালী ভবন, হোয়াইট হাউসেও একক সেতার পরিবেশন করেছেন তিনি— যা নিঃসন্দেহে তাঁর সঙ্গীতজীবনের এক বড় মাইলফলক।

আরও পড়ুন:Madhumita Sarkar Wedding : বসন্ত পঞ্চমীর সন্ধ্যায় দেবমাল্যের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন মধুমিতা সরকার

পন্ডিত রবিশঙ্করের কাছ থেকে সেতারের তালিমপ্রাপ্ত এই তরুণ শিল্পী কেবল সঙ্গীত দক্ষতার জন্যই নয়, তাঁর পরিবেশনার ভঙ্গিমার জন্যও আজ সমাজমাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সেতার বাজানোর সময় হাতে মেহন্দির নকশা, বেছে নেওয়া পোশাক, কখনও সেতারের তালে তালে গলা মেলানো— এই সব ছোট ছোট বিষয়ই তাঁর পরিবেশনাকে আলাদা মাত্রা দেয়। মঞ্চে বসে ঋষভ যেন কেবল সেতার বাজান না, বরং সঙ্গীতকে জীবন্ত করে তোলেন। দর্শকদের মতে, তাঁর হাসিতেও রয়েছে এক ধরনের আলাদা আকর্ষণ, যা মুহূর্তে মন কেড়ে নেয়। এই তরুণ সেতারশিল্পীর স্টাইল স্টেটমেন্টের আরেকটি বিশেষ দিক হল তাঁর দাঁতে বসানো হিরের স্টাড। ঋষভের নীচের পাটির দাঁতে ঝলমল করে ছ’টি হিরে, যা সহজেই নজর কাড়ে। যদিও অনেকের ধারণা, এই হিরে শুধুই নজর কাড়ার জন্য, তবে ঋষভের বক্তব্য একটু ভিন্ন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, দাঁতের এই হিরে তাঁর কাছে শৃঙ্গারের অংশ। নিজেকে সুন্দরভাবে সাজালে মন ভালো থাকে, আর মন ভালো থাকলেই সঙ্গীতচর্চাও আরও গভীর হয়— এমনটাই বিশ্বাস তাঁর।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

দাঁতে পাথর বসানোর এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় টুথ জেম বা টুথ পিয়ার্সিং। এই পদ্ধতিতে দাঁতে কোনও ছিদ্র করার প্রয়োজন হয় না। বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল্যবান পাথর দাঁতের উপরিভাগে সংযুক্ত করা হয়। সাধারণত নীলা, পান্না, ক্রিস্টাল বা হিরের মতো পাথর ব্যবহার করা হয় এই প্রক্রিয়ায়। ভারতে এখনও টুথ পিয়ার্সিং খুব বেশি জনপ্রিয় না হলেও বিদেশে এই ট্রেন্ড বেশ পরিচিত। হলিউড তারকা হেইলি বিবার, ক্যাটি পেরি, বেলা হাদিদের মতো সেলিব্রিটিরাও দাঁতে টুথ জেম ব্যবহার করেছেন। সঙ্গীত, স্টাইল ও ব্যক্তিত্ব— এই তিনের মেলবন্ধনেই ঋষভ রিখিরাম শর্মা আজ নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।