Sayak Chakraborty : পার্ক স্ট্রিটের রেস্তরাঁয় মাটনের বদলে বিফ পরিবেশনের অভিযোগ, বিতর্কে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী

পেজ 3 বিনোদন

নিউজ পোল ব্যুরো: পার্ক স্ট্রিটের এক নামী রেস্তরাঁয় (Park Street Restaurant) বন্ধুদের সঙ্গে নৈশভোজ করতে গিয়ে তীব্র অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন টলিপাড়ার অভিনেতা ও সেলেব ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী (Sayak Chakraborty)। অভিযোগ, পাঁঠার মাংস বা মাটন স্টেক অর্ডার করা হলেও তাদের টেবিলে পরিবেশন করা হয় গরুর মাংসের স্টেক। বিষয়টি জানাজানি হতেই পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন সায়ক (Sayak Chakraborty)। তবে ফেসবুক লাইভে ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক ও কটাক্ষ। নেটদুনিয়ার একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, কেন পুরো প্লেটের খাবার শেষ করার পর বিষয়টি সামনে আনলেন অভিনেতা? আবার কারও অভিযোগ, এই ঘটনা তুলে ধরে কি সাম্প্রদায়িক বিভাজনের উসকানি দিচ্ছেন সায়ক? এমনকি কেউ কেউ তাকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও আক্রমণ করেছেন। এই সব অভিযোগের জবাব দিতেই শনিবার ভোরে ফের ফেসবুক লাইভে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিনেতা।

আরও পড়ুন : Weather Update : জানুয়ারিতে শীত বিদায়! ফেব্রুয়ারি থেকে গরমের প্রভাব বাড়তে পারে, বিশ্ব উষ্ণায়নের সতর্কবার্তা

সায়ক (Sayak Chakraborty) জানান, তার উদ্দেশ্য কখনওই দাঙ্গা লাগানো বা ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করা নয়। তিনি বলেন, “আমার মুসলিম বন্ধু রয়েছে, তাদের বাড়িতে ইদের দিন খেতে গিয়েছি। আমার কনটেন্টেও বরাবর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা থাকে। বন্ধুত্বের পথে ধর্ম কখনও বাধা হতে পারে না।” একইসঙ্গে তিনি ক্ষোভ উগরে দেন, রাজনৈতিক তকমা জুড়ে দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও। সায়কের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে গিয়েছি বলে আমাকে ‘চটিচাটা’ বলা হয়েছে। আবার এখন হঠাৎ করে ‘বিজেপির দালাল’ বলা হচ্ছে। রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অভিনেতা জানান, তারা আদৌ পুরো প্লেট শেষ করেননি। সায়ক (Sayak Chakraborty) ও তার সঙ্গী অনন্যা কেবল খাবার চেখে দেখছিলেন। সেই সময়েই বেয়ারা তাদের টেবিলে আরেকটি মাটন স্টেক রেখে যান। অথচ তারা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করতেই বেয়ারা জানান, নাকি দু’টি স্টেক—একটি মাটন ও একটি বিফ—অর্ডার করা হয়েছিল। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, “অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম।” তবে বেয়ারার প্রতিও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। তিনি বলেন, “রেস্তরাঁয় কাজের চাপ থাকে, সেটা বুঝি। কিন্তু আজ প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে আরও কেউ এমন সমস্যায় পড়তে পারেন।” তার মতে, বিষয়টি ধর্মীয় নয়, বরং গ্রাহকের অধিকার ও পছন্দের সঙ্গে যুক্ত।