নিউজ পোল ব্যুরো:দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে ১৭ ফেব্রুয়ারি। খালেদা জিয়ার পুত্র ও বিএনপি নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ঢাকায় (Tarique Rahman swearing-in ceremony)। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/02/15/jyotipriya-malik-promotion-barasat-core-committee/
রবিবার ভারতের কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকছেন না। তবে নয়াদিল্লির স্পষ্ট বার্তা—এই সিদ্ধান্তে কোনও কূটনৈতিক দূরত্বের ইঙ্গিত নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোনও সাময়িক কূটনৈতিক সমীকরণের উপর দাঁড়িয়ে নয়; ইতিহাস, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও ভৌগোলিক নৈকট্যের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক ও গভীর। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নবনির্বাচিত সরকারকে স্বাগত জানাচ্ছে নয়াদিল্লি। স্পিকার পর্যায়ের প্রতিনিধিত্বকে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, একই দিনে মুম্বইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-র সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সময়সূচির সংঘাতের কারণেই তাঁর ঢাকা সফর সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্পিকারকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের তরফে এই অনুষ্ঠানে একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মোট ১৩টি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান ও চিন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে, যদিও বেজিং এখনও তাদের প্রতিনিধির নাম ঘোষণা করেনি।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের (Tarique Rahman swearing-in ceremony) শপথগ্রহণ কেবল সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ এক অধ্যায়। ভারতের তরফে স্পিকার স্তরের প্রতিনিধিত্ব সেই সমীকরণে সূক্ষ্ম ভারসাম্যের বার্তা বহন করছে বলেই মত কূটনৈতিক মহলের একাংশের।
