Hilsa Fish : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বাজারে খোকা ইলিশ! ফরাক্কা থেকে ধরা মাছ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ব্যবসা-বাণিজ্য রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: খাদ্যপ্রেমী বাঙালির কাছে ইলিশ (Hilsa Fish) শুধু একটি মাছ নয়, আবেগের নাম। বর্ষা এলেই বড় সাইজের ইলিশের খোঁজে বাজারে ভিড় জমে। তবে চলতি মরশুমে নানা প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত কারণে প্রত্যাশিত পরিমাণে ইলিশ (Hilsa Fish) ধরা পড়েনি। সেই ঘাটতি কাটতে না কাটতেই এখন নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে খোকা ইলিশ (Hilsa Fish) ধরা এবং বিক্রি নিয়ে। শীতের শেষ লগ্নে সাধারণত ইলিশের (Hilsa Fish)সরবরাহ কম থাকে। কিন্তু এ বছর ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। খবর মিলছে, ফরাক্কা ব্যারেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে ব্যাপক পরিমাণে ছোট আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে এবং সেগুলো স্থানীয় বাজারে বিক্রিও হচ্ছে। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ছোট ইলিশ ধরা (Hilsa Fish) ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এদের বড় হয়ে ওঠার সুযোগ না দিলে ভবিষ্যতে ইলিশের (Hilsa Fish) জোগান মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন : Weather Update : ফেব্রুয়ারির মাঝেই কলকাতায় শীতের বিদায়, বাড়ছে তাপমাত্রা! রাজ্যজুড়ে গরমের আভাস

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফরাক্কা ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিনই কয়েক ডজন কেজি ইলিশ বাজারে উঠছে (Hilsa Fish)। ধরা পড়া মাছগুলির ওজন সাধারণত ৪০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রামের মধ্যে। অভিযোগ, ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করেই এই মাছ ধরা হচ্ছে, যা আইনের পরিপন্থী। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়াই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। দামও খুব কম নয়। ফরাক্কা, রঘুনাথগঞ্জ ও জঙ্গিপুরের বাজারে এই ছোট ইলিশ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে। একটু বড় আকারের মাছের ক্ষেত্রে দাম পৌঁছে যাচ্ছে ১,২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত। ফলে ব্যবসায়ীদের কাছে লাভজনক হলেও পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মাছ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি বড় বিপদের সংকেত বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। তাদের বক্তব্য, এখন যদি নির্বিচারে খোকা ইলিশ (Hilsa Fish) ধরা হয়, তাহলে বর্ষাকালে বড় মাছ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই মৎস্য দফতরের নজরে এসেছে। দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৯০ মিলিমিটারের কম ফাঁসের জাল ব্যবহার করা বেআইনি এবং ৯ ইঞ্চির কম মাপের ইলিশ (Hilsa Fish)কেনাবেচাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে নতুন করে প্রচার ও নজরদারি শুরু করা হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।