নিউজ পোল ব্যুরো: বীরভূমের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতা সুদীপ্ত ঘোষ-এর সাম্প্রতিক মন্তব্য। বোলপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা রাজ্যের ২৯৪টি আসনে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর (Mamata Banerjee) নেতৃত্বই মুখ্য, তেমনই বীরভূমের ১১টি বিধানসভা আসনে কার্যত নেতৃত্বের কেন্দ্রে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Mamata – Abhisek ভোটের ময়দানে নামলেন মমতা-অভিষেক, আলিপুরদুয়ার ও পাথরপ্রতিমা থেকে শুরু প্রচার
সুদীপ্ত ঘোষের এই বক্তব্যকে অনেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বার্তা হিসেবে দেখছেন। বীরভূম জেলায় সংগঠন পরিচালনা ও নির্বাচনী কৌশলে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) প্রভাব যে এখনও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, তা এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, আসন্ন নির্বাচন কেবল প্রার্থীদের লড়াই নয়, বরং এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা এবং অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) সম্মিলিত নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা যাচাইয়ের মঞ্চ।
এরই মধ্যে বোলপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিরোধী শিবিরে ভাঙনের ঘটনাও সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই এলাকায় প্রায় ২০টি পরিবার ভারতীয় জনতা পার্টি-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তৃণমূল কংগ্রেস-এ যোগ দিয়েছে। এই ঘটনাকে নির্বাচনের আগে শাসক দলের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, একদিকে সুদীপ্ত ঘোষের মন্তব্যে ‘অনুব্রত ফ্যাক্টর’-এর জোরালো ইঙ্গিত, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে ভাঙন এই দুই ঘটনাই বীরভূমের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নির্বাচনের আগে এই পরিবর্তনগুলি আগামী দিনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
