নিউজপোল ব্যুরোঃ রাজ্যবাসীর জন্য এক দুর্দান্ত খুশির খবর! আজ, ১৫ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে জেলা ও ব্লক স্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল বহুল প্রতীক্ষিত ‘জনকল্যাণ শিবির’। এই বিশেষ ক্যাম্পগুলির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের দুয়ারে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যেখানে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের একাধিক বড় বড় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য সরাসরি আবেদন করা যাবে। এই বিশেষ ক্যাম্পগুলির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের দুয়ারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বড় বড় স্কিম পৌঁছে দেওয়া, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ‘আয়ুষ্মান ভারত’ যোজনা। এই স্কিমের আওতায় বৈধ উপভোক্তারা পরিবার পিছু বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার বাম্পার সুবিধা পাবেন। তবে এই মেগা কার্ড কারা পাবেন আর কাদের আবেদন বাতিল হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা সমস্ত সংশয় দূর করতে সম্পূর্ণ তালিকা সামনে আনা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার কম, যারা একটি মাত্র ঘরে বা কাঁচা বাড়িতে থাকেন এবং বিশেষভাবে সক্ষম কিংবা তফশিলি জাতি ও উপজাতির (SC/ST) অন্তর্ভুক্ত, তারা সরাসরি এই স্বাস্থ্যের সুরক্ষাকবচ পেয়ে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় সবচেয়ে বড় চমক হলো, পরিবারে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সের কোনো প্রবীণ নাগরিক থাকলে তারা আয়ের কোনো ঊর্ধ্বসীমা ছাড়াই সম্পূর্ণ আলাদাভাবে আরও ৫ লক্ষ টাকার ফ্রি চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে, যাদের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার বেশি, যাদের নিজস্ব বাইক বা চারচাকা গাড়ি রয়েছে কিংবা যেসব পরিবারের নিজস্ব মাছ ধরার নৌকা রয়েছে, তারা কোনোভাবেই এই আয়ুষ্মান কার্ডের সুবিধা পাবেন না।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষ টাকার কম, তাঁদের এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। নির্দিষ্ট সম্পদের মালিকানার ভিত্তিতেও আবেদন বাতিল হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।জনকল্যাণ শিবিরে আসা মানুষের ভিড় দেখে প্রশাসনের একাংশের ধারণা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তাই আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় নথি ও যোগ্যতার শর্তগুলি ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কর্তারা।
