নিউজপোল ব্যুরো: শিক্ষক ও রেশন কেলেঙ্কারির পর এবার জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র জালিয়াতির এক মারাত্মক ও হাড়হিম করা আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের পর্দাফাঁস করে সরাসরি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ভোট কুশলী সংস্থা ‘আই-প্যাক’ (I-PAC) এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এক মহা-বিস্ফোরক যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী!
আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ (23/07/2026) রাজ্যজুড়ে সমস্ত ভুয়ো বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেটের সত্যতা যাচাই বা ভেরিফিকেশনের এক মেগা অপারেশন শুরু হতেই কেঁপে উঠেছে গোটা রাজ্য রাজনীতি। আর এই যুদ্ধকালীন তল্লাশির আবহেই আজ দিনশেষে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্ন থেকে এমন কিছু চাঞ্চল্যকর ও হাড়হিম করা তথ্য জনসমক্ষে এনেছেন, যা শুনে নবান্ন থেকে কালীঘাট— সর্বত্র এক তীব্র রাজনৈতিক মহাপ্রলয় শুরু হয়ে গেছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ অত্যন্ত কড়া, অনড় ও আক্রমণাত্মক মেজাজে গর্জে উঠে বলেন, “রাজ্যজুড়ে চলা এই ভুয়ো বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেটের নোংরা কারবারের পেছনে তৎকালীন চোর সিন্ডিকেটের ভোট কুশলী সংস্থা আই-প্যাকের এক সুগভীর ও ভয়ঙ্কর ‘ষড়যন্ত্র’ কাজ করছিল! রাতারাতি ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করে রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে দেওয়া এবং অবৈধ মানুষদের আইনি সিলমোহর দেওয়ার পেছনে খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি মদত ও নির্দেশ ছিল। এই চুরির জাল কতদূর ছড়িয়েছে, তা হাতেনাতে ধরতে আমি পুলিশ ও প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছি— ভুয়ো বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে প্রতিটি ব্লকে অল-আউট অভিযান ও ক্র্যাকডাউন করতে হবে! কোনো অবস্থাতেই এই মারাত্মক দেশবিরোধী চক্রান্ত বরদাস্ত করা হবে না।”
মুখ্যমন্ত্রীর এই রাজকীয় ও অল-আউট চাবুকের নির্দেশ আসতেই আজ রাত থেকেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটা পুরসভা, পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিসে ম্যারাথন কম্বিং অপারেশন শুরু করে দিয়েছে সিআইডি ও পুলিশের বিশেষ উইং। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, আই-প্যাকের পুরোনো ডিজিটাল সার্ভার ও তৎকালীন স্বাস্থ্য দফতরের কিছু গোপন লগ ফাইল খতিয়ে দেখেই এই জালিয়াতির পাহাড়প্রমাণ প্রমাণ হাতে এসেছে বর্তমান শুভেন্দু সরকারের। এই জালিয়াতি সিন্ডিকেটের চাবি আসলে কার কার পকেটে ছিল, তা খুঁজতে এবার জেলা স্তরের দাপুটে চোর-দালালদের তালিকা তৈরি করে লকআপের গেট খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন।
