নিউজপোল ব্যুরো: উত্তাল পড়ুয়া আন্দোলন আর প্রতিবাদের উত্তাপে কেঁপে উঠে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ইতিমধ্যেই তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। রাজনৈতিক অলিন্দে এই ঘটনা এক বিশাল ধামাকা তৈরি করেছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চরম টানাপোড়েনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শে তড়িঘড়ি এই গুরুদায়িত্ব তুলে দেওয়া হলো বর্ষীয়ান ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর হাতে। নিজের বর্তমান মন্ত্রকের পাশাপাশি এখন থেকে শিক্ষা মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।
কর্ণাটকের ধারওয়াড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে বারংবার নির্বাচিত এই দাপুটে বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মুখ। বর্তমানে তিনি ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের পাশাপাশি নব ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আন্তর্জাতিক সৌর জোটের সভাপতি পদ সামলানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এর আগে মোদী সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদীয় বিষয়ক, কয়লা ও খনি মন্ত্রকে দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন তিনি। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে কঠিন পরিস্থিতিতেও বিরোধীদের সাথে সমন্বয় রেখে আইন পাস করানোর যে অসাধারণ ক্ষমতা তিনি দেখিয়েছেন, তা সর্বজনবিদিত।
জাতীয় রাজনীতিতে প্রহ্লাদ যোশী তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, পিএম সূর্য ঘর ফ্রি বিদ্যুৎ যোজনা কিংবা বিশাল আয়তনের সৌর পার্ক তৈরির মতো কেন্দ্রের একাধিক মেগা প্রজেক্টের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর মূল অবদান। কিন্তু বর্তমান আবহে ছাত্র রাজনীতির যে ভয়াবহ আগুন জ্বলছে, সেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্ব নেওয়া তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
