১৭ই সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ই অক্টোবর দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’! গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের ২৫ বছর পূর্তিতে মেগা উৎসব

breakingnews কলকাতা জেলা প্রযুক্তি

নিউজপোল ব্যুরো: একদিকে মোদীর প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছরের মাইলস্টোন, অন্যদিকে বাংলায় একের পর এক মেগা কর্মসূচির ঘোষণা! ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক যাত্রার শুরু। সেই ২৫ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে বিজেপি দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ চালানোর কথা জানিয়েছে। এই আবহেই বাংলাতেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক কর্মসূচি। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ প্রচার ও জনসংযোগ পর্ব। বিভিন্ন জায়গায় জনসেবা, স্বচ্ছতা অভিযান, রক্তদান, সামাজিক কাজ এবং সরকারি প্রকল্প নিয়ে প্রচারের মতো কর্মসূচি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ১৭ সেপ্টেম্বরের প্রদীপ কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের দিন বিভিন্ন জায়গায় ‘আশীর্বাদ প্রদীপ’ জ্বালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাতেও বুথ স্তর পর্যন্ত এই কর্মসূচি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গাকে আলোকসজ্জায় সাজানোর পরিকল্পনার কথাও সামনে এসেছে। শুধু প্রদীপ জ্বালিয়েই থামছে না আয়োজন। পড়ুয়াদের নিয়েও থাকছে বিশেষ পরিকল্পনা। ২০৪৭ সালে ভারতকে কেমন দেখতে চান তরুণ প্রজন্ম, সেই ভাবনা সামনে রেখে স্কুল-কলেজ স্তরে আঁকা, বক্তৃতা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর বার্তাকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ।

এর পাশাপাশি তৈরি হবে ১০৮ মিটারের ‘ভারত মণ্ডল’ বা বিশাল রঙ্গোলির মতো বিশেষ আয়োজন। ন্যাশনাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জেরও আয়োজন থাকছে। কলকাতাও এই জাতীয় স্তরের উদ্ভাবনী কর্মসূচির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে থাকছে বলে বিজেপির ঘোষণায় জানানো হয়েছে। জেলা সদর থেকে শুরু করে স্থানীয় স্তরেও সাফাই অভিযান, স্বচ্ছতা কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অর্থাৎ মোদীর ২৫ বছর পূর্তিকে শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান না রেখে জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মসূচির সঙ্গেও জুড়ে দিতে চাইছে বিজেপি।

সব মিলিয়ে ৭ অক্টোবরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রাকে সামনে রেখে বাংলায় এই কর্মসূচিগুলি কতটা রাজনৈতিক বার্তা তৈরি করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।