Shyama Prasad ideology:শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে রেড রোডে শক্তি প্রদর্শন বিজেপির!“২৬-এ তৃণমূলের বিসর্জন শুরু হবে” হুঁশিয়ারি শমীকের

রাজনীতি রাজ্য

রবিবার কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত হল ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad ideology) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রাজ্য বিজেপির বিশেষ কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ একাধিক বিধায়ক ও নেতৃবৃন্দ। এই অনুষ্ঠান যেমন ছিল শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের, তেমনই ছিল রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মঞ্চ।মঞ্চ থেকে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান শমীক ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/07/06/bakkhali-weekend-getaway-from-kolkata/

তিনি বলেন,“আজকের বাংলায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে রাজনীতি ছাড়াও প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব একজোট হওয়া। এটা আমরা বনাম ওরা নয়। রাজ্যে ধর্মান্ধতা, বিভাজন, মৌলবাদ ও ফ্যাসিবাদের ছায়া পড়েছে। বাংলা ও তার সংস্কৃতিকে বাঁচাতে গেলে সকলকে এক হতে হবে। যারা আমাদের পছন্দ করেন না, যারা বিরোধিতা করেন, তাঁরাও আমাদের সঙ্গে থাকুন— বাংলা বাঁচাতে হবে।”তিনি আরও বলেন,“২৬ তারিখ থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিসর্জন শুরু হবে। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য তৈরি হচ্ছেন। এবার শাসকদলের বিদায়ের কাউন্টডাউন শুরু হোক।”
এই বার্তার মধ্যে দিয়ে কার্যত ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগাম প্রচার শুরু করে দিলেন শমীক।


বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন,
“১৯৪৭ সালের ২০ জুন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ গঠিত হয়েছিল। তিনি না থাকলে আজ বাঙালি হিন্দুর হোমল্যান্ড থাকত না। আজ তাঁর দেখানো পথেই চলতে হবে। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে।”শুভেন্দুর দাবি, ২০২৬ সালে জনগণ যদি বিজেপিকে সুযোগ দেয়, তাহলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, দুঃশাসনের অবসান ঘটবে এবং প্রকৃত উন্নয়নের পথ খুলবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT


অনুষ্ঠানে অন্যান্য নেতারাও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ত্যাগ ও আদর্শের কথা স্মরণ করে বলেন, আজকের প্রজন্মের উচিত তাঁর মূল্যবোধকে অনুসরণ করে বাংলার পুনর্গঠনে ভূমিকা নেওয়া।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শ্যামাপ্রসাদের (Shyama Prasad ideology) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এই কর্মসূচি ছিল বিজেপির জন্য রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। ২০২৬ নির্বাচনের আগে এ ধরনের জাতীয়তাবাদী আবেগকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান রাজ্যজুড়ে দলকে সংগঠিত ও সক্রিয় করতে ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।