নিউজ পোল ব্যুরো: একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, একটি স্বপ্ন সবই থেমে গেল মাঝআকাশে। প্রশিক্ষণের মাঝপথেই চিরতরে থেমে গেল ২৩ বছরের শ্রীহরি সুকেশের উড়ান। কানাডার (Canada) আকাশে ঘটে গেল এমন এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, যা শোকস্তব্ধ করেছে দুই দেশকেই।
ঘটনাটি ঘটেছে কানাডার (Canada) মানিটোবা প্রদেশে অবস্থিত হার্ভস এয়ার পাইলট ট্রেনিং স্কুলে। জানা গিয়েছে, দুই ট্রেনি পাইলট কেরলের (Kerala) কোচির (Kochi) শ্রীহরি সুকেশ এবং কানাডার (Canada) সাভানা মে রয়েস—পাইলট প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পৃথক দুটি সিঙ্গল ইঞ্জিন বিমানে উড্ডয়ন ও অবতরণের অনুশীলন করছিলেন। বিমানে থাকলেও, তারা একে অপরের উপস্থিতি বুঝতে পারেননি। কারণ, যদিও রেডিও সিস্টেম (Radio System) ছিল, দৃশ্যমানতা বা সমন্বয়ের ঘাটতি হয়তো এই ভয়ানক সংঘর্ষের মূল কারণ।
দুই বিমান একই রানওয়েতে অবতরণের চেষ্টা করার সময় মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। আকাশেই ঘটে যায় ভয়ানক দুর্ঘটনা। মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে দুই বিমান, প্রাণ হারান দুই তরুণ পাইলট। ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার হয় তাঁদের নিথর দেহ। শ্রীহরি, যিনি স্বপ্ন দেখতেন পাইলট হয়ে আকাশে ভেসে বেড়ানোর, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পাড়ি দিয়েছিলেন হাজার হাজার মাইল দূরে কানাডায়। কিন্তু সেই আকাশই হয়ে উঠল তার জীবনের শেষ গন্তব্য। কানাডার ভারতীয় কনসুলেট তার মৃত্যুর খবর জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং পরিবারকে সমস্তরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এই দুর্ঘটনা একগুচ্ছ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সাংবাদিকমহল থেকে শুরু করে বিমান প্রশিক্ষণ মহলেও আলোড়ন তুলেছে এই ঘটনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী এমন ফাঁক রয়ে গেল, যে কারণে দু’টি ট্রেনিং বিমান একই সময়ে এক রানওয়েতে নামার চেষ্টা করল? প্রতিবছর এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ৪০০ ছাত্রছাত্রী আসে পাইলট হওয়ার আশায়। কিন্তু সেখানে গিয়েই মর্মান্তিক পরিণতি ভারতীয় তরুণের।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
