নিউজ পোল ব্যুরো: ভয়াবহ ঘটনা! মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) পালঘর জেলায় একটি দেহ ব্যবসার চক্র থেকে উদ্ধার হওয়া ১৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি কিশোরী (Bangladeshi Teen) পুলিশকে জানিয়েছে যে তিন মাসের মধ্যে কমপক্ষে ২০০ জন পুরুষ তাকে যৌন নির্যাতন করেছে। এই খবর সামনে আসার পর শিউরে উঠেছেন অনেকেই। একজন নাবালিকার সঙ্গে কিভাবে এই ধরনের ঘৃণ্য কাজ করতে পারে সেটা ভেবেই অবাক হচ্ছেন সকলে।
এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, ২৬ জুলাই মীরা-ভায়ন্দর ভাসাই-ভিরার পুলিশের মানব পাচার বিরোধী ইউনিট (AHTU) ) এনজিও এক্সোডাস রোড ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং হারমনি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যৌথ অভিযানে নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। ভাসাইয়ের নাইগাঁওয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চলে। নাবালিকাকে উদ্ধার করে একটি রিমান্ড হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সে জানায় গুজরাটের নাদিয়াদে এক বাড়িতে মাত্র তিন মাসের মধ্যে ২০০ জনেরও বেশি পুরুষ তার উপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছিল।ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের গ্রফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৩৩ এবং ৩২ বছর বয়সী দুই মহিলা রয়েছেন, যারা বাংলাদেশ থেকে কিশোরকে ভারতে প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ আরও যাদের গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সহ পাঁচজন ভুক্তভোগীর মধ্যে তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক।
আরও পড়ুন: Michael Rubin: মার্কিন মাটিতে যুদ্ধের হুমকি! আসিম মুনিরকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা চান রুবিন
হারমনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্রাহাম মাথাই বলেছেন যে মেয়েটি স্কুলে একটি বিষয়ে ফেল করেছিল। তারপর তার বাবা-মায়ের বকুনির ভয়ে তারই এক পরিচিত মহিলার সঙ্গে ভারতে পালিয়ে আসে। ওই মহিলাই তাকে সীমান্ত পার করে প্রথমে কলকাতা নিয়ে আসে। সেখান থেকেই মুম্বই পাচার করে দেয়। মাথাই দাবি করেছেন যে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ২০০ জন পুরুষকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তারা আরও বলেছেন যে মেয়েটিকে অকাল বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের ইনজেকশন দেওয়া হতে পারে। মানবাধিকার কর্মী মধু শঙ্কর বলেছেন যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিশু থাকাকালীন অপহরণ করা হয়েছে, এই ধরণের চক্র পরিচালনাকারীদের সঙ্গে বসবাস করা হয়েছে এবং পরে এই ধরণের ইনজেকশন দেওয়ার পরে নাবালিকা অবস্থায় তাদের দেহ ব্যবসায়ে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ খালিদ আব্দুল ব্যাপারী (৩৩), যিনি নির্যাতিতাকে বিভিন্ন শহরে দেহ ব্যবসার জন্য পাঠানোর জন্য দায়ী এবং বাকিরা হলেন এজেন্ট জুবের হারুন শেখ (৩৮) এবং শামীম গফর সরদার (৩৯)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
