নিউজ পোল ব্যুরো: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর পর ইডির হাতে সোমবার গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। সোমবার তাকে তার মুর্শিদাবাদের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতার হওয়ার পর নিজেকে চক্রান্তের শিকার বলে দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গ্রেফতারি নিয়েই মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সল্টলেকে বিজেপির দফতর থেকে গ্রেফতারি নিয়ে করেছেন মন্তব্য।
সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী জীবনকৃষ্ণ সাহার গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলেছেন, “জীবনকৃষ্ণ সাহা ছিল পার্থ চ্যাটার্জী ভাইপো কালীঘাটের কাকু মানিক ভট্টাচার্যের অন্যতম বড় এজেন্ট। বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলার সমস্ত তালিকা টাকা তোলা তালিকায় নাম তোলা মুছে দেওয়া সব কাজটাই করত জীবনকৃষ্ণ সাহা। কাঁথি নবগ্রাম এই সমস্ত জেলার বিধায়কদের দিয়ে টাকা তোলা তো চাকরি পাইয়ে দেওয়া এবং সেটা কালীঘাটে পৌঁছে দিত। কান টেনেছেন ঠিক আছে মাথায় পৌঁছতে হবে।” অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারি নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য নেই। আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম না, তাই কী হয়েছে বলতে পারছি না। যদি কাউকে কিছু বলতেই হয়, সেটা বলবেন জীবনকৃষ্ণ সাহা নিজে বা তাঁর আইনজীবী। তবে প্রধানমন্ত্রী দু’দিন আগেই সফরে এসেছিলেন। তার পরই কি এজেন্সি এত সক্রিয় হয়ে উঠল? এমন পদক্ষেপ যে হবে, তা আমরা আগেই অনুমান করেছিলাম। বিজেপির বুথে কোনও সংগঠন নেই, কোনও এজেন্ট নেই। ওরা শুধু কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভরসায় চলছে।”
আরও পড়ুন: Jiban Krishna Saha: এবার ED-এর জালে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার জীবনকৃষ্ণ সাহা
উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সোমবার সকালে তৃণমূল বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহার মুর্শিদাবাদের বাড়িতে পৌঁছায় ইডির আধিকারিকরা। তাকে বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে ইডি। ২০২৩ সালে এই একই মামলায় সিবিআই এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল তৃণমূলের এই বিধায়ক। এক বছরের বেশি সময় জেলে থাকার পর ২০২৪ সালে জামিন পান তিনি। সেই একই মামলা এবার তাকে গ্রেফতার করলো ইডি। তার বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যুক্ত থাকা মিডিলম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে।
