নিউজ পোল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অবশেষে ইডি আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন রাজ্যের বর্তমান কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা (Chandranath Sinha)। আগেও একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। শনিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেও, তার বিদেশযাত্রা তো দূরে থাক, কলকাতা (Kolkata) ও বোলপুরের (Bolpur) বাইরে যেতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।
আরও পড়ুন: BJP Puja Funds :পুজো অনুদান নিয়ে দ্বিচারিতায় বিজেপি, অর্থ বণ্টনের দায়িত্ব মিঠুনের হাতে
ইডি সূত্রে খবর, এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বাড়ি থেকে প্রাপ্ত চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় উঠে আসে মন্ত্রীর (Chandranath Sinha) নাম। কুন্তলের দাবি, সেই তালিকা চন্দ্রনাথই পাঠিয়েছিলেন। তার পরেই চন্দ্রনাথ সিনহার (Chandranath Sinha) বাড়িতে ইডির হানা। উদ্ধার হয় নগদ ৪১ লক্ষ টাকা। তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও জমা পড়েছে ইতিমধ্যেই। ইডি চায় হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে। ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন আদালতে করা হয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। এর মধ্যে তিনি সাক্ষীদের প্রভাবিত করছেন বলেও আদালতে অভিযোগ তুলেছে ইডি।
তৃণমূলের (TMC) অভ্যন্তর থেকে অবশ্য আত্মরক্ষামূলক সুরই শোনা যাচ্ছে। বীরভূমের প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) বলেছেন, “উনি জামিন পেয়েছেন, এটা তো ভাল জিনিস।” তবে বিজেপির (BJP) প্রতিক্রিয়া রীতিমতো কড়া। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, “কারামন্ত্রী যখন নিজেই আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন, তখন সেটা শুধু রাজ্যের নয়, গোটা বাঙালির জন্য লজ্জার। পশ্চিমবঙ্গে চাকরি বিক্রির কারবার যে ছিল, তা আরও একবার স্পষ্ট হল।” আরও সুর চড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)। তার মতে, “তৃণমূল এখন তিন ভাগে বিভক্ত- একদল জেলে, একদল বেলে (জামিনে), আর একদল জেলে যাওয়ার প্রস্তুতিতে।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
