নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতীয় রান্নায় টক দই (Sour Curd) কেবল স্বাদে বৈচিত্র্য আনে না, এর রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণও। ছোট থেকে বড়, প্রায় সকলের রান্নাঘরেই টক দই পাওয়া যায়। এতে উপস্থিত Probiotics, Calcium, Vitamin B12 শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। বিশেষত এটি হজমে (Digestion) সাহায্য করে, শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়ায় এবং হাড়কে মজবুত রাখে। তবে সত্যি কথা বলতে গেলে, অনেকেই একঘেয়ে স্বাদের কারণে টক দই খেতে চান না। কারও কাছে এটি অতি প্রিয়, আবার কারও কাছে অপছন্দের। অথচ একটু ভিন্ন কায়দায় পরিবেশন করলেই টক দই হতে পারে একেবারে নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন: Skin Care: “পুজোর সাজ নষ্ট করবে না Pimples—ব্রণ রুখতে ৪টি সহজ উপায়”
প্রথমেই বলা যায় মধুর সঙ্গে টক দইয়ের কথা। এক চামচ মধু মিশিয়ে নিলেই দইয়ের অতিরিক্ত টকভাব অনেকটা কমে যায়। সকালে হালকা খাবারের সঙ্গে এটি খেলে শরীর সতেজ থাকে এবং হজমশক্তিও বাড়ে।

গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে ফলের দই স্মুদি (Curd Smoothie) অনন্য। দইয়ের সঙ্গে কলা বা আম ব্লেন্ড করে তাতে সামান্য মধু মিশিয়ে নিন। উপর থেকে বাদাম বা কিশমিশ ছড়িয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং রিফ্রেশিং স্মুদি। খাওয়ার পরে হজমের জন্য সহজ একটি উপায় হল ভাজা জিরে-পুদিনা দেওয়া দই। ফেটানো দইয়ে ভাজা জিরে গুঁড়ো, অল্প লবণ ও কুচো পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিলেই এটি হয়ে উঠবে একেবারে হেলদি Digestive Recipe। মেয়োনিজের বদলে টক দই ব্যবহার করে স্যালাড (Healthy Salad) বানানোও দুর্দান্ত কৌশল। শসা, টম্যাটো, গাজর বা অন্য সবজির সঙ্গে দই মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যায় লো-ক্যালোরি, হেলদি এবং সুস্বাদু খাবার।অবশ্যই ভুলে যাওয়া যাবে না ভাত বা খিচুড়ির সঙ্গে টক দইয়ের চিরন্তন বাঙালি জুটি। গরম ভাতের পাশে এক বাটি দই –এ যেন আরাম ও কমফোর্ট ফুড (Comfort Food)-এর সেরা উদাহরণ।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
সব মিলিয়ে টক দই (Sour Curd) শুধু একটি খাবার নয়, বরং প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা যায় এমন একটি Healthy Food Choice। একঘেয়ে স্বাদ এড়াতে একটু নতুনত্ব যোগ করুন আর উপভোগ করুন স্বাস্থ্য আর স্বাদের একসঙ্গে সমন্বয়।
