Fire on cargo ship : পোরবন্দরে নোঙর করা জাহাজে আগুন, মালপত্রের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: মাঝ সমুদ্র জাহাজে বিধ্বংসী আগুন। পোরবন্দরের সুভাষনগর জেটিতে নোঙর করা ছিল জাহাজটি। সেই সময় এই আগুন লাগে। তবে আগুনের সূত্রপাত কিভাবে হলো তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি, এক মুহূর্তে জাহাজটি দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে। কালো ধোঁয়ার পর্দা চারপাশকে ঢেকে ফেলে। ঘটনাস্থলে সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছান বন্দরের (port officials) এবং দমকলের (fire brigade) দল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও জাহাজের একটি বড় অংশ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ক্রু (crew members) নিরাপদে রয়েছে।

আরও পড়ুন:Gemini AI : পুজোর মুখে Gemini AI-তে ছবি বানানোর মজা, কিন্তু সতর্কতাও জরুরি

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, জাহাজটি (Somalia, Bosaso)–এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল। জাহাজে প্রচুর পরিমাণে চাল এবং চিনি (cargo: rice and sugar)বোঝাই ছিল। বিধ্বংসী আগুনে পুরো পণ্য ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বন্দরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত সম্ভবত জাহাজের (engine room)–এর শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো জাহাজে, কিন্তু দমকল ও বন্দরের কর্মকর্তাদের তৎপরতার কারণে বড় ধরনের প্রাণহানি হয়নি।এই সংক্রান্ত আরও তথ্য জানানো হয়েছে, জাহাজটি জামনগরের (shipping company)–এর মালিকানাধীন। বন্দরের (emergency response) টিম দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও জাহাজের কিছু অংশ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে, ক্রু সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ায় তা একটি আশার সংবাদ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের (maritime fire) এর ক্ষেত্রে প্রাথমিক সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আগুনের প্রকৃত কারণ জানার জন্য ইনভেস্টিগেশন(investigation) চলছে। এছাড়া ধোঁয়া এবং আগুনের ফলে জাহাজের কাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণও যাচাই করা হচ্ছে। ঘটনায় সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত এবং জাহাজের সম্পূর্ণ পণ্য ধ্বংস হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাব (financial loss)যথেষ্ট বড় হতে পারে। বন্দরের (authorities) ও দমকল কর্মীরা দ্রুত ও সঠিকভাবে কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রশংসিত হয়েছেন।