নিউজ পোল ব্যুরো:এসআইআর আতঙ্কে (SIR panic in West Bengal) মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তৎপর তৃণমূল কংগ্রেস।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত বিশেষ কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করছেন।তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস ও আর্থিক সাহায্যের বার্তা দিচ্ছেন তাঁরা।রবিবার দুপুরে বহরমপুরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে এসআইআর আতঙ্কে মৃত তারক সাহার বাড়িতে পৌঁছন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)।তাঁর সঙ্গে ছিলেন বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ু গোপাল মুখোপাধ্যায়,মুর্শিদাবাদ জেলার তৃণমূল সভাপতি ও কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মী।মন্ত্রী মৃত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।একইদিন ভাঙরে সফিকুল গাজির মৃত্যুর ঘটনাতেও তৃণমূল প্রতিনিধি দল যান তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে।
জানা গিয়েছে,-পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ,বিজেপি সরকার নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে ভয় ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।তার ফলেই বলি হচ্ছেন নিরীহ মানুষ।এছাড়াও কুলপিতে এসআইআর আতঙ্কে সাহাবুদ্দিন পাইকের মৃত্যুর ঘটনায় রবিবার তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন তিনি।অন্যদিকে,বীরভূমের সাঁইথিয়ায় মৃত বিমান প্রামানিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তৃণমূলের বার্তা স্পষ্ট—“এসআইআর নিয়ে আতঙ্কিত (SIR panic in West Bengal) হওয়ার কিছু নেই। প্রয়োজনে আন্দোলন হবে,প্রতিবাদ হবে,কিন্তু সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে দেওয়া হবে না।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ কেবল মানবিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন নয়, এর মধ্যে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে। একদিকে বিজেপি যখন তৃণমূলকে অভিযুক্ত করছে “ভয় দেখানোর রাজনীতি”-য়, অন্যদিকে তৃণমূলের উদ্দেশ্য স্পষ্ট — আতঙ্ক নয়, আস্থা ফিরিয়ে আনা। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করাই এই মুহূর্তে শাসক দলের লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের ব্যাখ্যা, রাজ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ ও মৃত্যুর ঘটনাগুলি প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শুরু হওয়া এই “মানুষের পাশে” অভিযান শুধু রাজনীতির পরিধি ছাড়িয়ে এক ধরনের সামাজিক প্রতিশ্রুতি হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
