নিউজ পোল ব্যুরো : সাত বছরের সম্পর্কে সোনাক্ষী সিন্হা (Sonakshi Sinha)ও জাহির ইকবাল যতটা হাসিখুশি দেখান সামাজিক মাধ্যমে, বাস্তবটা কিন্তু ছিল বেশ অন্যরকম। ভিন্ধর্মের ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোয় শুরুতেই নায়িকাকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল পরিবারের আপত্তি, বাইরের কটাক্ষ, এমনকি বিয়ের সময় ধর্ম পরিবর্তন করেছেন কি না, সেই প্রশ্নও তাঁকে বারবার শুনতে হয়েছিল। তবুও নড়েননি দু’জনেই। সমস্ত বাধা পেরিয়ে ২০২৪ সালের ২৩ জুন তারা কোনও ধর্মীয় আচার ছাড়াই আইনি বিয়ে সারেন। পরে হয় ছোট্ট প্রীতিভোজ। বিয়ের পর সোনাক্ষী নিজেই বলেছেন, তিনি এতটাই ভালোবাসা ও যত্ন পাচ্ছেন যে মনে হয়েছে আরও আগেই বিয়ে করে ফেলা উচিত ছিল।
তবে এই সুখের ছবির আড়ালেও ছিল বেশ কিছু অশান্তি। সম্পর্কের তিন বছর যেতে না যেতেই নাকি পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল (Sonakshi Sinha)যে তারা একে অপরকে সহ্যই করতে পারছিলেন না। জীবনের প্রতি দু’জনের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল একেবারেই ভিন্ন, আর সেই ভিন্নতা থেকেই তৈরি হয়েছিল তীব্র ঝামেলা। সোনাক্ষী সম্প্রতি সোহা আলি খানের পডকাস্টে বলেছেন, তখন তাঁদের ঝগড়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা মাঝেমধ্যে এমন অবস্থাও তৈরি হয়েছিল যে “চুলোচুলি হওয়া পর্যন্ত বাকি ছিল”! বুঝতে পেরেছিলেন, এ ভাবে আর চলতে পারে না। বাইরে থেকে ‘perfect couple vibe’ দেখালেও ভিতরে ভিতরে দু’জনেই জানতেন, সমস্যাটা বেশ গভীর।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ঠিক সেই সময়ই জাহিরের পরামর্শে তারা সিদ্ধান্ত নেন কাপ্ল থেরাপি নেওয়ার। আর সেখান থেকেই বদলে যেতে থাকে সবকিছু। সোনাক্ষীর (Sonakshi Sinha)কথায়, পেশাদার সাহায্য তখন তাঁদের একমাত্র ভরসা ছিল। আশ্চর্যের বিষয়, মাত্র দুই সেশনেই তাঁরা বুঝতে শুরু করেন কোথায় কোথায় ভুল হচ্ছিল। কী ভাবে রাগ, হতাশা ও আবেগ সামলাতে হয়, কী ভাবে একে অপরকে সত্যিই শুনতে হয় এই সহজ বিষয়গুলিই তাঁদের সম্পর্ককে আবার আগের মতো শক্ত করে তোলে। আজ তাঁরা আগের থেকেও বেশি সুখী। সোনাক্ষীর মতে, কাপ্ল থেরাপি কোনও লজ্জার নয়, বরং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার একেবারে healthy step। তিনি মনে করেন, যেভাবে অন্য অনেক তারকা আমির খান-কিরণ রাও থেকে ফারহান আখতার-শিবানি দাণ্ডেকর মনোবিদের সাহায্য নিয়েছেন, তেমনই প্রয়োজন হলে যে কেউই পেশাদার সাহায্যের উপর ভরসা করতেই পারেন।
