Blood Sugar : ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে দারচিনির অদ্ভুত গুণ,রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ঘরোয়া উপায়ে

স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: সাধারণত “সুগার” (diabetes) রোগীদের সঙ্গে জড়িত কিছু ভুল ধারণা খুব প্রচলিত। অনেকেই ভাবেন, একবার সুগার হওয়া মানেই আজীবন ওষুধ খেতে হবে, পাশাপাশি প্রিয় খাবারগুলোও ছেঁটে ফেলতে হবে। কিন্তু গবেষণা দেখাচ্ছে, নিয়মিত নজরদারি এবং কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললেই রক্তে শর্করার (blood sugar) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ভারতের পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক—বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ডায়াবিটিস সংক্রান্ত মৃত্যুহার দেশে ক্রমবর্ধমান। ২০১৯ সালের সমীক্ষায় দেখা গেছে, শিশুদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ভারত সবচেয়ে শীর্ষে।

আরও পড়ুন : Jhargram : শীতের শুরুতেই ঝাড়গ্রামে রঙিন লালমাটির হাট, পর্যটনে নতুন প্রাণ জঙ্গলমহলে

গবেষকরা বলছেন, ডায়াবিটিস পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও কিছু প্রাকৃতিক উপাদান (natural remedies) রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে “দারচিনি” (cinnamon) এর অনেক উপকারী গুণ আছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (NIH) এবং আমেরিকান সোসাইটি ফর মেটাবলিক অ্যান্ড বেরিয়াট্রিক সার্জারি (American Society for Metabolic and Bariatric Surgery) গবেষকরা জানিয়েছেন, দারচিনিতে রয়েছে ইউজেনল (eugenol) এবং সিনামালডিহাইড (cinnamaldehyde)—যা শুধু স্বাদ ও গন্ধই দেয় না, শরীরের প্রদাহ (inflammation) কমাতেও সহায়ক। এছাড়াও এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট (antioxidant) থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ইনসুলিন হরমোন (insulin hormone) ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

দারচিনিতে আছে ‘প্রোসায়ানিডিন টাইপ-এ পলিমার’ (procyanidin type-A polymer) যা ইনসুলিনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর পলিফেনলিক উপাদান (polyphenols) শরীরকে টক্সিনমুক্ত (detox) রাখতে সাহায্য করে এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ ঠিক রাখে।
দারচিনি খাওয়ার সহজ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। এক গ্লাস জলে বড় একটি দারচিনি টুকরো ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও দারচিনি চা (cinnamon tea) বানিয়ে প্রতিদিন আধ চা চামচ খেতে পারেন। কিংবা সকালের ওটস (oats) বা দুধের সঙ্গে এক চিমটে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যায়। নিয়মিত এবং সঠিকভাবে এই পদ্ধতিগুলো মেনে চললে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।