Bengal vs Baroda: বিজয় হাজারে ট্রফিতে দ্বিতীয় ম্যাচেই বরোদার কাছে হার বাংলার

ক্রীড়া

নিউজ পোল ব্যুরো: বিজয় হাজারে ট্রফিতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বরোদার কাছে ৪ উইকেট হারল বাংলা। এই হারের ফলে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে বড় ধাক্কা খেল সুদীপ ঘরামির (Sudeep Gharami) নেতৃত্বাধীন বাংলা দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজ লিম্বানির ৫ উইকেটের সৌজন্যে মাত্র ২০৫ রানে অলআউট হয় বাংলা (Bengal)। জবাবে ৬৭ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেট হারিয়ে রান তুলে নেয় বরোদা (Baroda)।

আরও পড়ুন:Jinedin Jidan son : ঠাকুরদার জন্য আলজিরিয়ার জার্সিতে খেলছেন জিদান পুত্র

বরোদা টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলা শুরুটা ভালো করলেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরণ (Abhimanyu Enshwaran) সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন এবং অভিষেক পোড়েল (Abhishek Porel) ৩৮ রান যোগ করেন। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বাংলা ৩৮.৩ ওভারে মাত্র ২০৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। সর্বোচ্চ রান অনুষ্টুপের (৪৭)। এছাড়া অভিষেক (৩৮) ও করণ লাল (৪০) রান করেন। বরোদার হয়ে বিধ্বংসী বোলিং করেন রাজ লিম্বানি। তিনি মাত্র ৬৫ রান খরচ করে ৫টি উইকেট তুলে নেন। অধিনায়ক ক্রুনাল পাণ্ডিয়া ৩টি উইকেট নিয়ে বাংলার ইনিংসে ধস নামান।

২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরোদা ৩৮.৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। তিবে এই রান তোলাটা একেবারেই কঠিন হওয়া উচিত ছিল না বরোদার। বিশেষ করে প্রিয়াংশু মোলিয়ারা যে ফর্মে আছেন। তাতে অনায়াসে রান তুলে নিতে পারত বরোদা। সেটা তুলে নিল ঠিকই, তবে বাংলার বোলাররা যথেষ্ট বেগ দিলেন। শুরুতেই মিতেশ প্যাটেল ফেরান মহম্মদ শামি। কিন্তু শাশ্বত রাওয়াত, ক্রুণাল পাণ্ডিয়ারা ধীরেসুস্থে বরোদাকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছেন। বরোদার পক্ষে অধিনায়ক ক্রুনাল পাণ্ডিয়া বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। ৬৩ বলে ৫৭ রান করেন তিনি। দীর্ঘ চোট কাটিয়ে ফেরা তারকা পেসার মহম্মদ শামি ৬ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে ১টি উইকেট নেন, তবে তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। তবে শাহবাজ আহমেদ, আমির গোনিরা শেষের দিকে চেষ্টা করেছিলেন। ৭ রানের মধ্যে বরোদার চার উইকেট ফেলে দিয়েছিলেন বাংলার বোলাররা। তবে শেষরক্ষা হয়নি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত মাসে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতেও বরোদার কাছে হেরেছিল বাংলা। আগামী ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বাংলার প্রধান লক্ষ্য।