Suvendu Adhikari: গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে থানায় শুভেন্দু, পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানাকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে থানায় ঢুকে পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে বিজেপি কর্মীদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানায় হাজির হন শুভেন্দু। সেখানে পুলিশের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় তিনি আঙুল তুলে কথা বলেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, “যা করেছেন, তার ফল ভুগতে হবে।” এই ঘটনার ভিডিও দ্রুতই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক।

আরও পড়ুন: Thailand: বিষ্ণুমূর্তি ভাঙা ইস্যুতে কূটনৈতিক অস্বস্তি, মুখ খুলল ভারত ও থাইল্যান্ড

ঘটনার সূত্রপাত বড়দিনে, ২৫ ডিসেম্বর। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের (TMC) প্রচারমূলক কর্মসূচি ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ নামের ট্যাবলো নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অটোয় করে ঘোরানো হচ্ছিল। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা ট্যাবলো ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানার পুলিশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে একজন স্থানীয় বিজেপি মণ্ডল সভাপতির ভাই বলেও জানা গিয়েছে। এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, বিজেপি কর্মীদের কোনও নির্দিষ্ট মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ আইন মেনে কাজ করছে না এবং শাসক দলের নির্দেশে বিরোধীদের দমন করার চেষ্টা করছে। এদিন থানায় গিয়ে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তোলেন।

এর পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও গুরুতর অভিযোগ আনেন। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জেলেমারা গ্রামের এক তফসিলি সম্প্রদায়ের বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গভীর রাতে সাদা পোশাকে পুলিশ হানা দেয়। কোনও নোটিশ বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই এই অভিযান চালানো হয় বলে অভিযোগ। ওই বিজেপি কর্মী বাড়িতে না থাকায় তাঁর স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যার উপর নির্যাতন চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকী মহিলা পুলিশ ছাড়াই অভিযান চালানো হয়েছে এবং পুলিশের কাছে কোনও বডি ক্যামও ছিল না বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনাকে “বেআইনি ও অমানবিক” বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং রাজ্য সরকারকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে এবং ভয় দেখিয়ে বিজেপি কর্মীদের তৃণমূলে যোগ দিতে বাধ্য করা যাবে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে এবং রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole